‘৪৭ দিন সময় লাগল কিছু বলতে?’, প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা দিয়া মির্জার
অবশেষে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু এতদিন অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর তিনি কেন মুখ খুললেন, এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা।
অবশেষে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু এতদিন অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর তিনি কেন মুখ খুললেন, এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিনেত্রী প্রশ্ন রেখেছেন, যে বাবা মায়েরা নিজেদের সন্তানকে হারিয়েছেন, যে ছাত্র-ছাত্রীরা সপ্তাহের পর সপ্তাহ অনশন পড়েছে এবং নিজের অধিকারের দাবিতে আন্দোলন করেছে তাদের দৃঢতা রক্ষার জন্য কেন তিনি কিছু বললেন না?
আরও পড়ুন: উল্টো রথের আগেই বড় ধামাকা! ‘উইঙ্কল-টুইঙ্কল’ ছবি মুক্তির তারিখ ঘোষণা সৃজিতের
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে
বৃহস্পতিবার প্রায় মাঝরাতে সমাজ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ‘শুক্রবারের ক্যাবিনেট বৈঠকে পরীক্ষা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত এবং নির্দেশিকা আনা হচ্ছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর গত আড়াই মাসে বহু বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অপরাধীরা ধরা পড়েছে এবং তারা জেলে রয়েছে। আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল যাতে শিক্ষার্থীদের একটা বছর নষ্ট না হয়। তাই দ্রুত নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া খুবই দরকার ছিল।’
দিয়া প্রসঙ্গে
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দিয়া মির্জা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে লেখেন, ‘সন্তানহারা বাবা-মায়ের জন্য, মৃত শিশুদের জন্য, অধিকার আদায়ে লড়া শিক্ষার্থীদের অবিশ্বাস্য দৃঢ়তার জন্য, সোনমজি এবং সপ্তাহব্যাপী অনশনরত শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিন্দুও সহানুভূতি নেই। স্যার, আর কত কঠিন হবেন?'
দিয়া লেখেন, ‘আপনার কিছু বলতে ৪৭ দিন সময় লাগল। আর এখন যখন বলেছেন, তখন কিছুই বলেননি। এমন কিছুই বলেননি যা লক্ষ লক্ষ ভগ্ন হৃদয়কে সারিয়ে তুলতে পারে।’
আরও পড়ুন: NEET কেলেঙ্কারিতে মুখ খুললেন জিৎ, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে কী বললেন তিনি?
সিজেপি প্রতিবাদ সম্পর্কে
প্রায় এক মাস ধরে দিল্লির জন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বে ছাত্র বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল , যেখানে কর্মী সোনম ওয়াংচুক এবং আরও কিছু ছাত্র এই আন্দোলনে যোগ দিয়ে অনশন ধর্মঘট শুরু করেন। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং অন্যান্য পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগে ছাত্ররা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি করছেন। তাঁরা শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারেরও আহ্বান জানাচ্ছেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদিও একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন যে, নিট ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সরকার ফাস্ট ট্র্যাক আদালত স্থাপন করছে।
E-Paper

