বলিউড সুপারস্টার সলমন খান এবং হিমেশ রেশমিয়ার মধ্যে সম্পর্ক শুরু থেকেই বেশ আলোচিত। শোনা যায় সলমন খানই নাকি হিমেশ রেশমিয়াকে ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। পরে হিমেশ নিজেই বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তা স্বীকার করেন। তবে, গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, হিমেশ যখন তাঁর একটি ছবিতে সলমন খানকে প্রধান অভিনেতা হিসেবে চুক্তি করেছিলেন তখন নাকি তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। এবার এক চ্যাট শোতে এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন হিমেশ।

আরও পড়ুন: ফিরছে 'দেশু', তবে শুভশ্রীর মন জুড়ে শুধুই রাজ, স্বামীর নামের আদ্যক্ষর দেওয়া লকেটে নজরকাড়া নায়িকা
কমেডি কিং কপিল শর্মা হিমেশ রেশমিয়াকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তিনি কি মাত্র ১৬ বছর বয়সে সলমন খানকে তাঁর ছবির জন্য চুক্তিবদ্ধ করেছিলেন? হিমেশ রেশমিয়া উত্তর দিয়েছিলেন, ‘হ্যাঁ স্যার, আমরা... মানে আমার বাবা সলমন ভাইকে চুক্তির পর টাকা দিয়েছিলেন। সেই ছবির নাম ছিল ‘যুব’।
তিনি আরও বলেন, ‘তবে সেই ছবিটা তৈরি হয়নি কিন্তু আমি ২০০-৩০০টা গান লিখে ফেলেছিলাম। তিনি সেই গানগুলি শুনেছিলেন এবং তারপর আমি সিরিয়াল প্রযোজনায় চলে গিয়েছিলাম। তারপর আমি অনেক সিরিয়াল তৈরি করেছি। তাই গান আমার আবেগ। কিন্তু আমার জন্য, আমি তখনই গান করব যখন নিশ্চিত হব যে আমার গানটা ছবিতে থাকবে।’
হিমেশ সলমন তাঁকে কীভাবে কাজের সুযোগ দিয়েছিলেন সেই প্রসঙ্গেও বলেন। গায়ক বলেন, ‘তিনি আমাকে বলেছিলেন যে, ‘আমি একটু সময় নিচ্ছি।’ তারপর ফোন করে 'প্যার কিয়া তো ডরনা কেয়া' গানের টাইটেল ট্র্যাকটি আমাকে অফার করেন তিনি। সেটা আমার জন্য খুবই কঠিন ছিল। কারণ প্রথমত 'প্যার কিয়া তো ডরনা কেয়া' মুঘল-ই-আজমের একটা হিট গান ছিল, যদি ভুল হয় তাহলে যিনি গাইবেন তাঁর কেরিয়ার নষ্ট হয়ে যেত। তাছাড়া প্রথম গান সুপারহিট হওয়া উচিত। তাই সুর দিয়ে সেই বাক্যাংশটা ভেঙে ফেলেছিলাম। বলতে পারেন এটা ঈশ্বরের একটা অলৌকিক ছিল। তারপর যখন আমরা সলমন ভাই এবং সেলিম আঙ্কেলকে তা শোনাই, আমার মনে আছে সেলিম সাহেব দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়েছিলেন।'
{{/usCountry}}হিমেশ সলমন তাঁকে কীভাবে কাজের সুযোগ দিয়েছিলেন সেই প্রসঙ্গেও বলেন। গায়ক বলেন, ‘তিনি আমাকে বলেছিলেন যে, ‘আমি একটু সময় নিচ্ছি।’ তারপর ফোন করে 'প্যার কিয়া তো ডরনা কেয়া' গানের টাইটেল ট্র্যাকটি আমাকে অফার করেন তিনি। সেটা আমার জন্য খুবই কঠিন ছিল। কারণ প্রথমত 'প্যার কিয়া তো ডরনা কেয়া' মুঘল-ই-আজমের একটা হিট গান ছিল, যদি ভুল হয় তাহলে যিনি গাইবেন তাঁর কেরিয়ার নষ্ট হয়ে যেত। তাছাড়া প্রথম গান সুপারহিট হওয়া উচিত। তাই সুর দিয়ে সেই বাক্যাংশটা ভেঙে ফেলেছিলাম। বলতে পারেন এটা ঈশ্বরের একটা অলৌকিক ছিল। তারপর যখন আমরা সলমন ভাই এবং সেলিম আঙ্কেলকে তা শোনাই, আমার মনে আছে সেলিম সাহেব দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়েছিলেন।'
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, হিমেশ রেশমিয়ার প্রথম গানটি ব্লকবাস্টার হিট হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি পরপর অসংখ্য সুপারহিট ছবিও উপহার দিয়েছিলেন। একটা সময় ছিল যখন হিমেশ রেশমিয়ার গান ছাড়া কোনও ছবিই হতো না। তবে, হিমেশ রেশমিয়ার কেরিয়ারের পতন শুরু হয় যখন তিনি শর্ত দেন যে তিনি কেবল এমন ছবিতেই গান গাইবেন যেখানে তিনি অভিনয়ও করবেন। এর পরে, হিমেশের গান কম মুক্তি পায়।