'এভাবে বিক্ষোভ করে কোনও লাভ নেই...', ‘ককরোচ’দের সংসদ অভিযানে ক্ষুব্ধ হেমা

সোমবার ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির আচমকা সংসদ অভিযান ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে দিল্লিতে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তৈরি হওয়া এই আন্দোলন আটকাতে যন্তর মন্তর চত্বরে ৫০০০ পুলিশ এবং আধা সেনা নামিয়েছিল কেন্দ্র, যার ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

Published on: Jul 20, 2026, 23:00:39 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সোমবার ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির আচমকা সংসদ অভিযান ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে দিল্লিতে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তৈরি হওয়া এই আন্দোলন আটকাতে যন্তর মন্তর চত্বরে ৫০০০ পুলিশ এবং আধা সেনা নামিয়েছিল কেন্দ্র, যার ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

‘ককরোচ’দের সংসদ অভিযানে ক্ষুব্ধ হেমা
‘ককরোচ’দের সংসদ অভিযানে ক্ষুব্ধ হেমা

শুধু তাই নয়, ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। রাজপথের পাশাপাশি ওই একই ইস্যুতে সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশনও উত্তপ্ত হয়ে যায়। ককরোচদের এই বিক্ষোভ প্রদর্শনে রীতিমত ক্ষুব্ধ হন বিজেপি সংসদ হেমা মালিনী।

আরও পড়ুন: মানসিক কষ্ট যখন ছাপিয়ে যায় কল্পনাকেও, তখনই তৈরি হয় এক সুপারহিরোর

এই দিন সংসদের বাইরে সংবাদমাধ্যমের সামনে হেমা মালিনী বলেন, ‘যদি কোনও সমস্যা হয় তা নিয়ে আলোচনা করা উচিত। এইভাবে প্রতিবাদ করলে কিছুই হবে না। দেশের যুবসমাজ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য, আমাদের মোদি সরকার সব সময় সকলের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং অনেক কাজ করেছে। আমি শুধুমাত্র বলব আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। এইভাবে অশান্তি ছড়িয়ে লাভ নেই।’

রবিবার দিল্লিতে হওয়া এই আন্দোলনকে সমর্থন জানাতে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান প্রকাশ রাজ, শাবানা আজমি এবং পুনম পান্ডে। একদিকে যেমন সিজেপি সংসদে যোগ দেওয়ার কথা বলেন প্রকাশ রাজ, তেমন অন্যদিকে প্রতিবাদকারীদের হাতে চুম্বন খেতে দেখা যায় শাবানা আজমিকে।

আরও পড়ুন: নিজেকে হঠাৎ ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ বললেন মানসী, কী এমন হল?

আজ, সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনুরোধে তাঁর অনির্দিষ্টকালের অনশন শেষ করেছেন। গত ১৮ জুলাই ওয়াংচুক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দীপকে এই অনশন শুরু করেছিলেন, যখন তাঁর নিজের ২১ দিনের অনশনের কারণে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়েছিল।