‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর কারণে বিগত কয়েকদিন ধরে বিতর্কে জর্জরিত ছিলেন অভিনেতা জিতু কমল। অভিনেতাকে ধারাবাহিক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন জল্পনা-কল্পনার মাঝে বৃহস্পতিবার ‘সুখবর’ দেন জিতু। জনান তিনি থাকছেন আর্য সিংহ রায়ের চরিত্রে। দর্শকদের দাবি ও ভালোবাসাতে একপ্রকার বাধ্য হয়েছে চ্যানেল জিতুকে ফিরিয়ে আনতে।

শুক্রবার বেলার দিকে স্বামী বিবেকানন্দের একটি ছবি শেয়ার করে নেন জিতু কমল। সেই ছবির উপরে লেখা, ‘অন্ধকার অভিযোগে জন্মায়, আলো কর্তব্যে।’ আর এই ছবির সঙ্গে জিতু লিখেছেন, ‘জীবনের পথে অভিযোগে ভরা মন যেন এক ঘন কালো মেঘ— যা নিজের আলোও ঢেকে রাখে, ঈশ্বরের কৃপাও অনুভব করতে দেয় না। যারা শুধু দোষ খুঁজে বেড়ায়, তাদের অন্তরে শান্তি জন্মায় না; আশীর্বাদের আলোও তাদের চোখে এসে পৌঁছায় না। কিন্তু যখন মানুষ নিজের কর্তব্যকে পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করে—যা-ই আসুক, যেমনই পরিস্থিতি হোক—তখনই ভিতরের জড়তা ভেঙে যায়, মন ঈশ্বরের ইশারা উপলব্ধি করতে শেখে।’
আরও পড়ুন: হল গৌরব-শোলাঙ্কির 'মিলন হবে কতদিনে'-র স্লট ঘোষণা, কোন মেগার জায়গা নিল এলা-গোরা?
‘কর্ম তখন ধ্যান হয়ে ওঠে, কর্তব্য হয়ে ওঠে ঈশ্বর-আরাধনা। অভিযোগে পথ থেমে যায়, কিন্তু কর্তব্যের পথে এগোলে নতুন আলো উন্মোচিত হয়। স্বামীজির এই বাণী তাই আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—যে জীবন নিজের দায়িত্বকে ঈশ্বরার্পণ করে, যে হৃদয় ভক্তিভরে কাজ করে, তার জীবন কখনো অন্ধকারে থাকে না। আলো ধীরে ধীরে প্রবেশ করে সেই মনেই—যে মন কর্মের মধ্যেই প্রার্থনা খুঁজে পায়, আর দায়িত্বের মধ্য দিয়েই ঈশ্বরকে উপলব্ধি করে।’
আরও পড়ুন: ‘আমি তো ছেলে খুঁজছি…’! পাশে প্রতীক, বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই লাজুক মুখে জবাব সোনামণির
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: ‘আমি তো ছেলে খুঁজছি…’! পাশে প্রতীক, বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই লাজুক মুখে জবাব সোনামণির
{{/usCountry}}বুঝতে অসুবিধা হয় না আকার-ইঙ্গিতে তিনি ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এ তাঁর ফেরার কথাই বলেছেন। ধারাবাহিকের নায়িকা দিতিপ্রিয়া রায় একগুচ্ছ অভিযোগ তুলেছেন জিতুর নামে। এমনকী, একসঙ্গে শট দিতেও রাজি ছিলেন না তিনি, ঝামেলা এতটাই তীব্র ছিল। এমনকী, শেষ কয়েকদিন বডি ডবল দিয়ে কাজ চালানো হয়। কারণ ‘নো টাচ’ পলিসি রেখেছিলেন দিতিপ্রিয়া।
তবে জিতু চলমান বিতর্কে মুখ খুললেও, দিতিপ্রিয়া নীরাবতাই বজায় রেখেছেন। এমনকী, টেলি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চেও পুরস্কার নেওয়ার পরে, চলমান বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন শুরু হতে ‘নো কমেন্টস’ বলে হাঁটা লাগান।