খুব সম্প্রতি প্রশান্ত নীলের ‘ড্রাগন’ ছবির শুটিং চলাকালীন কাঁধে, চোট পেয়েছিলেন জুনিয়র এনটিআর। সম্প্রতি করা হয়েছে অপারেশন। বর্তমানে তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ঠিকই কিন্তু আপাতত বিশ্রামে রয়েছে অভিনেতা। সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কাজে ফিরতে পারবেন না তিনি। এবার এই অসুস্থতার মধ্যেই কাছের কাউকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন জুনিয়র এনটিআর।

চার বছরের সঙ্গী, বাড়ির অন্যতম প্রিয় সদস্য বাগিরাকে হারিয়েছেন অভিনেতা। বাগিরা অর্থাৎ অভিনেতার প্রিয় পোষ্য। খুব স্বাভাবিকভাবেই সন্তানসম প্রিয় পোষ্যকে হারিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অভিনেতা।
আরও পড়ুন: 'এই ভাবেই তো ওকে ফাঁসিয়েছিলাম...', কীভাবে শ্রীময়ীর প্রেমে পড়েছিলেন কাঞ্চন?
বুধবার সমাজ মাধ্যমে প্রিয় পোষ্যর সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্ত ভাগ করে অভিনেতা লেখেন নিজের মনের দুঃখের কথা। তিনি লেখেন, বাগিরা আমার জীবনে একটা বন্ধু হয়ে এসেছিল। ধীরে ধীরে সে পরিবারের একজন হয়ে উঠল। আমাকে বেছে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমার পাশে হাঁটার জন্য ধন্যবাদ। এই চার বছরে যে মুহূর্ত দিয়েছো আমাকে, চার বছরকে যেভাবে সুন্দর করে তুলেছিলে, তার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
অভিনেতার পোস্ট দেখে বোঝাই যায় যে তিনি কতটা ভালবাসতেন বাগিরাকে। এই চারটে বছর যেভাবে অভিনেতার বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে উঠেছিল বাগিরা, তাতে করে সেই জায়গাটা যে একটি বড় শূন্যস্থান হয়ে থাকবে সারা জীবন সেটা বলাই বাহুল্য।
{{/usCountry}}অভিনেতার পোস্ট দেখে বোঝাই যায় যে তিনি কতটা ভালবাসতেন বাগিরাকে। এই চারটে বছর যেভাবে অভিনেতার বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে উঠেছিল বাগিরা, তাতে করে সেই জায়গাটা যে একটি বড় শূন্যস্থান হয়ে থাকবে সারা জীবন সেটা বলাই বাহুল্য।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: নিজের মধ্যে আনন্দ খুঁজে পেলেন রণজয়, বন্ধ করলেন অন্যকে সন্তুষ্ট করার কাজ
জুনিয়র এনটিআর প্রসঙ্গে
শান্ত নীল পরিচালিত ‘ড্রাগন’ ছবির শুটিং নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত ছিলেন জুনিয়ার এনটিআর। কিন্তু এর মাঝেই আচমকা কাঁধে চোট লাগে অভিনেতার। বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, সোমবার সন্ধ্যায় আচমকা চোট পান অভিনেতা। এর পরেই অভিনেতার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসক যে মধুসূদন রাও এবং চিকিৎসক আর এ পূর্ণচন্দ্র তেজস্বীর চিকিৎসাধীন ছিলেন অভিনেতা। পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পরেই তিনি আবার ফিরতে পারবেন কাজে।
সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছিল, সেকেন্দ্রাবাদের কেআইএমএস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানে কাদের আর্থোস্কপিক অপারেশন করা হয়। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে একটি ক্যামেরাযুক্ত নন শরীরের নির্দিষ্ট অংশে ছিদ্র করে প্রবেশ করানো হয় এবং প্রয়োজনীয় অস্ত্রপচার করা হয়।