'ভুল হয়ে গিয়েছে বেঁচে...', মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেও কোন হতাশায় ভুগছেন নচিকেতা?

কিছুদিন আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন নচিকেতা। চিকিৎসকের পরামর্শ মত তড়িঘড়ি বসানো হয়েছিল দুটি স্টেন্ট, এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ। কিছুদিনের মধ্যেই আবার ফিরতে পারবেন কাজে। নচিকেতার সুস্থতার খবর শুনে খুশি ভক্তরাও। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও নিজের জন্য কতটা আনন্দিত সংগীতশিল্পী?

Published on: Dec 17, 2025, 14:27:47 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কিছুদিন আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন নচিকেতা। চিকিৎসকের পরামর্শ মত তড়িঘড়ি বসানো হয়েছিল দুটি স্টেন্ট, এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ। কিছুদিনের মধ্যেই আবার ফিরতে পারবেন কাজে। নচিকেতার সুস্থতার খবর শুনে খুশি ভক্তরাও। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও নিজের জন্য কতটা আনন্দিত সংগীতশিল্পী?

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেও কোন হতাশায় ভুগছেন নচিকেতা?
মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেও কোন হতাশায় ভুগছেন নচিকেতা?

সোশ্যাল মিডিয়ায় নচিকেতা একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন যেখানে তিনি নিজের জীবনের বারংবার মৃত্যুকে উপলব্ধি করার বর্ণনা দিয়েছেন। ভিডিওটির শিরোনামে লিখেছেন ‘মৃত্যু মস্ত ফাঁকি’। হাসপাতালে থাকাকালীন গত ১০ ডিসেম্বর এই লেখাটি লিখেছেন তিনি, যা সম্পূর্ণ নিজের জীবনের উপলব্ধি থেকেই লিখেছেন নচিকেতা।

আরও পড়ুন: জুবিনের কনসার্টে চরম বিশৃঙ্খলা, গান শুনতে এসে আহত একাধিক

নচিকেতা লেখেন, ‘মৃত্যুর মুখ থেকে বারবার ফিরতে মন্দ লাগছে না। কিন্তু এই প্রথমবার নয়, মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাইক থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় লেগে কোমায় চলে গিয়েছিলেন তিনি। ২০ বছর বয়সে শুধুমাত্র ভাগ্যের কারণে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন নচিকেতা। শেষ মুহূর্তে স্থান পরিবর্তনের কারণে পুলিশের গুলি এসে লাগে বন্ধুর বুকে।’

এখানেই শেষ নয় মাত্র ১৬ বছর বয়সে পাতাল রেলের নির্মিত হওয়া টানেলে জলে ডুবতে ডুবতে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। মাত্র ৭ বছর বয়সে ক্ষুদিরামের ছবি দেখে গলায় দড়ি দিতে গিয়েছিলেন তিনি, মাত্র ৬ বছর বয়সে নকশাল আন্দোলন দেখে স্কুলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন, সেবারেও বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি।

এরপর ৪৭ বছর বয়সে দিল্লির হাসপাতালে সার্জারির টেবিল থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন এবং ২০২৫ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েও বেঁচে যান তিনি। এছাড়াও অনেক দুর্ঘটনায় পড়েও তিনি বারবার মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু এটা তো ভালো কথা, তাহলে কেন এত হতাশাগ্রস্থ হয়ে রয়েছেন নচিকেতা? জবাব দেবে পরের লাইনগুলো।

নচিকেতা লেখেন, ‘আমার লেখা যদি ভালো লাগে ভালো না হলে কমেন্ট করবেন না। আপনাদের কমেন্টের আশায় আমি বসে নেই। নিজেকে আমার বাড়ির পুরনো তক্তপোশের মতো জরাজীর্ণ প্রমাণ করতে গিয়ে কমেন্ট করবেন না। আবারও বেঁচে এলাম, হয়তো ভুল হয়ে গিয়েছে ক্ষমা করবেন। এবার আপনারা মৃত্যু ঘোষণা করলেই কথা দিচ্ছি মরে যাওয়ার চেষ্টা করব। অন্তত আপনাদের মান রাখতে।’

আরও পড়ুন: ‘বর্ষা’ এখন অতীত, স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়ার আগেই প্রেমে মজলেন পর্দার ‘বুবলাই’

শেষের কথা শুনে বোঝাই যায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই নচিকেতার মৃত্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে হইচই পড়ে গিয়েছিল তাতেই হয়তো ক্ষুব্ধ তিনি। যদিও নচিকেতা একা নন, এমন কাণ্ড কিছুদিন আগেই ঘটেছে ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু ঘিরে। নচিকেতার মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় ভীষণভাবে আশাহত হয়েছেন ৬১ বছর বয়সী এই সঙ্গীতশিল্পী, আর তাই নিজের ওই অভিমান থেকেই এতগুলো কথা লেখেন তিনি।