বলিউডে টাকার বিনিময়ে নেতিবাচক প্রচারের প্রবণতা ক্রমশ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সম্প্রতি জুম-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী মুখ খুলেছেন। অভিনেতাদের একে অপরের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে নেতিবাচক প্রচার করা নিয়েও তিনি সরব হয়েছেন।

আরও পড়ুন: ‘সরকে চুনরি’ বিতর্কে জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে ক্ষমা চাইলেন সঞ্জয় দত্ত!
নওয়াজ জানিয়েছেন যে, একজন অভিনেতার নিয়ন্ত্রণে একমাত্র তাঁর অভিনয়ই থাকে, কিন্তু তা কতদূর পৌঁছবে তা তাঁর হাতে থাকে না। তিনি প্রচার প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে, প্রচার ছাড়া বাস্তব জীবনে মানুষ হয়তো তাকে চিনতেই পারতেন না, কারণ তিনি প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করেন।
ইন্ডাস্ট্রিতে অর্থের বিনিময়ে নেতিবাচকতা ছড়ানোর ক্রমবর্ধমান সংস্কৃতি নিয়ে তিনিও তিনি নানা কথা বলেছেন। অভিনেতার কথায়, ‘বর্তমানে আমরা একটা খারাপ সময়ের মধ্যে রয়েছে। আরও অনেক কিছু দেখার বাকি আছে এবং সেটাও এই পর্যায়েই ঘটবে।এটা একটা অদ্ভুত জগৎ। আমার মনে হয়, এই অবস্থা আরও বেশ কিছু বছর থাকবে। সৃজনশীলতার জন্যও সময়টা খারাপ। হয়তো কিছু বছর পর ভালো সময় আসবে। মানুষ তখন কোনও অর্থহীন ঘৃণা ছাড়াই সঠিক জিনিসগুলোকে চিনতে শুরু করবে।’
আরও পড়ুন: সিঁথিতে সিঁদুর, পরনে লাল শাড়ি, গোপনে বিয়ে সারলেন রিমঝিম? ছবি ভাইরাল হতেই মুখ খুললেন অভিনেত্রী
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: সিঁথিতে সিঁদুর, পরনে লাল শাড়ি, গোপনে বিয়ে সারলেন রিমঝিম? ছবি ভাইরাল হতেই মুখ খুললেন অভিনেত্রী
{{/usCountry}}নওয়াজউদ্দিন আরও বলেন, ‘কিছু বছর পর মানুষ হয়তো নিজেরাই বুঝতে পারবে কে কী, কোনটা সত্যি, কোনটা মিথ্যা। আমি জানতাম না যে, এই সময়টা মানুষের কাছে এত সস্তা হয়ে যাবে যে, আমি যদি ১০ জনকে টাকা দিয়ে বলি যে ও একজন ভালো অভিনেতা, তাহলে মানুষ তা বিশ্বাস করতে শুরু করবে। তাঁদের নিজেদের শিক্ষা কোথায় গেল? নিজেদের বোঝার ক্ষমতা কোথায় গেল? হ্যাঁ, আমি যদি ১০ জনকে টাকা দিয়ে বলি যে, ও খুব ভালো, তাহলে একাদশ জন নিজেই তা বলবে। এটা অদ্ভুত।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, তার মতো অভিনেতাদের এই ধরনের কৌশলের প্রয়োজন হয় না, কারণ তাঁদের নিজেদের শিল্প ও কাজের ওপর আস্থা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, এই বছরের শুরুতে, ‘বর্ডার ২’ মুক্তির আগে বরুণ ধাওয়ান তার হাসি এবং অভিনয়ের জন্য সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে, একজন ইনফ্লুয়েন্সার দাবি করেন যে, তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য বেশ কয়েকজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীকে টাকা দেওয়া হয়েছিল। ছবিটির প্রযোজক, নিধি দত্তও, অভিনেতাকে লক্ষ্য করে টাকার বিনিময়ে নেতিবাচক প্রচারণার এই প্রবণতার সমালোচনা করেছিলেন।