...
...
Next Story

'লোকে বলত, ইংরেজি বলতে পারে না, নিশ্চয়ই গরিব পরিবার থেকে এসেছে…' পঙ্কজ তাঁর অটুট আত্মবিশ্বাস প্রসঙ্গে যা বললেন

পঙ্কজ ত্রিপাঠি ইংরেজি জানতেন না বলে অনেকেই তাঁকে নিয়ে চর্চা করতেন। তবে, এতে পঙ্কজ ত্রিপাঠি হীনমন্যতায় ভোগেননি।

Published on: May 28, 2026, 11:29:41 IST
Advertisement

পঙ্কজ ত্রিপাঠি বলেন যে তিনি একটি গাছ হতে চান। তাতে কোনও পরিপূর্ণতা নেই। ডালপালাগুলো আঁকাবাঁকাভাবে বাড়ছে, তবুও দেখতে খুব সুন্দর। একটি পডকাস্টে তিনি জীবনের পুরোনো ও নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তিনি আরও বলেন যে তিনি মোবাইল ফোন পছন্দ করেন না। অতীতের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন যে, যখন তিনি দিল্লিতে এসেছিলেন, তখন তিনি সাংস্কৃতিক ভাবে একটা ধাক্কা খেয়েছিলেন। তিনি ইংরেজি জানতেন না বলে অনেকেই তাঁকে নিয়ে চর্চা করতেন। তবে, এতে পঙ্কজ ত্রিপাঠি হীনমন্যতায় ভোগেননি।

‘লোকে বলত, ইংরেজি বলতে পারে না…’, পঙ্কজ তাঁর অটুট আত্মবিশ্বাস প্রসঙ্গে যা বললেন
‘লোকে বলত, ইংরেজি বলতে পারে না…’, পঙ্কজ তাঁর অটুট আত্মবিশ্বাস প্রসঙ্গে যা বললেন

আরও পড়ুন: ‘ওঁর সঙ্গটা ছিল ম্যাজিক্যাল…’, ববির সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে যা বললেন পূজা ভাট

পঙ্কজ বলেন, 'আমি ২০০১ সালে দিল্লিতে আসি, এনএসডি-তে ভর্তি হই, তাই কিছুটা সাংস্কৃতিক ধাক্কা লেগেছিল। যখন মেয়েদের সিগারেট খেতে দেখতাম, ভাবতাম, 'এরা কেমন ধরনের মেয়ে?' তারপর ১০১ দিন ধরে আত্মবিশ্লেষণের পর আমার মনে হল যে, আমি তো ছেলেদেরও সিগারেট খেতে দেখি। যেহেতু সে ছেলে, তাই আমি কোনও প্রতিক্রিয়া দেখাইনি, মেয়েটির ক্ষতিও সমানই হতো, বেশি নয়।'

পঙ্কজ জানান যে, অনেকেই তাঁর হিন্দিভাষী হওয়ার কারণেও তাঁকে নিয়ে মজা করতেন। তিনি বলেন, ‘অনেকে আমার ভাষার ভিত্তিতে আমাকে দ্রুত বিচার করত। তাঁরা ধরে নিতেন যে, কেউ যদি অনর্গল ইংরেজি বলতে পারে না, তবে সে নিশ্চয়ই গরিব পরিবার থেকে এসেছে। এরপর অনেকেই আপনি কোন ভাষায় কথা বলেন, তার ভিত্তিতে আপনার যোগ্যতা বিচার করে। বাস্তবে, এই দুটির মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই।’

পঙ্কজ বললেন, ‘এই পরিস্থিতি সামলানোর দুটো উপায় আছে। হয় হীনমন্যতায় ডুবে যাওয়া, অথবা তার ঊর্ধ্বে ওঠা। সৌভাগ্যবশত, আমি কোনও হীনমন্যতায় ভুগিনি। আমার মনে হয়েছিল যে আমার ব্যক্তিত্ব অসাধারণ, যে তা বুঝতে চায় না, সেটা তাঁর সমস্যা।’

পঙ্কজ ত্রিপাঠিকে ইংরেজি নিয়েও কটাক্ষ করা হয়েছে। তিনি জানান যে, বাক্যগুলো এতটাই ছোট হয়ে গিয়েছে যে, সেগুলো হারিয়েই গিয়েছে। তাঁর কথায়, ‘জীবনে আনন্দ থাকা উচিত। টাকার খেলা ক্ষণস্থায়ী। এর জন্য মোবাইলে নয়, বইয়ের ১০ পৃষ্ঠা পড়ুন। ১৫-২০ মিনিট ঘাসের ওপর হাঁটুন এবং গাছপালা দেখুন। পঙ্কজ ত্রিপাঠি বলেছেন যে তিনি মোবাইল ফোনের কারণে অত্যন্ত বিরক্ত। এটা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। যদি তাঁর ক্ষমতা থাকত, তিনি বিশ্বকে মোবাইল-মুক্ত করে দিতেন।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe