কাঞ্চন মল্লিক ও পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিচ্ছেদ ছিল টলিউডের অন্যতম চর্চিত ডিভোর্স। বছরখানেক ধরে কাদা ছোড়াছুড়ি, আইনি জটিলতার শেষে আলাদা হন তাঁরা। এমনকী, ডিভোর্সে বেশ মোটা অঙ্কের খোরপোশও দিতে হয় কাঞ্চন মল্লিককে। ছেলে ওশের দেখভাল ও স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য ৫৬ লাখ টাকা দিতে হয় কাঞ্চনকে।

বাবা-মায়ের সম্পর্কের ওঠানামার সাক্ষী থেকেছে ওশ। বর্তমানে তাঁর বয়স ১১। পিঙ্কির অভিযোগ, ছেলের কোনোরকম খোঁজখবর নেন না কাঞ্চন। উলটোদিকে ছেলেও বাবাকে আর নিজের জীবনে জায়গা দিতে রাজি নয়। যদিও কাঞ্চনের নতুন সংসার নিয়ে ওশের মনে কোনো অভিযোগ নেই, এমনটাই জনিয়েছেন পিঙ্কি একাধিক সাক্ষাৎকারে।
আরও পড়ুন: ছোট পর্দার অন্যতম সফল জুটি, দেড় বছরে শেষ হল জি বাংলার মেগা! কাকে তাড়াল আমাদের দাদামণি?
নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক ভাঙনের মুখ দেখলেও, ভালোবাসায় বিশ্বাস রাখেন পিঙ্কি। এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে কথাও বলেন। তবে তাঁর দাবি, ‘বিয়েটা আল্টিমেট নয়’। বরং পিঙ্কি বিশ্বাস করেন যে, ‘লিভ ইন’-এর উপরেও রয়েছে তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা। কারণ তাঁর বিশ্বাস, এক ছাদের নীচে থেকে সম্পর্ক যাচাই করে সারাজীবন একজন মানুষের সঙ্গে কাটিয়ে দেওয়া সম্ভব। আসলে সম্পর্কের ভরসা হওয়া উচিত বিশ্বাস ও বোঝাপড়া। পিঙ্কির বিশ্বাস, বড় হয়ে এই বিশ্বাস নিয়ে এগোবে তাঁর ছেলে ওশ-ও।
সঙ্গে পিঙ্কিকে আরও বলতে শোনা যায় যে, তাঁর পরিবার থেকে কোনোদিন চাপ দেওয়া হয়নি বিয়ে করার। এমনকী, তিনিও বিশ্বাস করন যে, ছেলে হোক বা মেয়ে, সকলেরই লক্ষ হওয়া উচিত প্রথমে নিজেকে সাবলম্বী করে তোলা। আর্থিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত না হয়ে, শুধুমাত্র সামাজিক চাপে পড়ে বিয়ের পক্ষপাতিত্ব নন তিনি। এমনকী, পিঙ্কি জানান যে এই শিক্ষা তিনি নিজের পরিবার থেকেই পেয়ে এসেছেন।
২০২১ সালে করোনা লকডাউন চলাকালীন প্রথম সামনে এসেছিল পিঙ্কি ও কাঞ্চনের দাম্পত্য ভাঙার খবর। সেই সময় স্বামী স্ত্রীর ঝামেলা গড়িয়েছিল থানা অবধি। হয়েছিল এফআইআর। সেই সময় পিঙ্কিই প্রথম সামনে এনেছিলেন যে, কাঞ্চন মল্লিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন শ্রীময়ী চট্টোরাজের সঙ্গে। এরপর ছেবে ওশকে নিয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। কাঞ্চন ও পিঙ্কির ডিভোর্সের পর, ওশের কাস্টেডি গিয়েছে মায়ের কাছেই।