কাজের বাইরে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে কখনওই আগ্রহ প্রকাশ করতে দেখা যায় না শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে। তিন বছর আগেও মোবাইল ব্যবহার করতেন না তিনি। যদিও এখন কাজের সূত্রে ব্যবহার করতে হয় তবে কাজ ছাড়া অযথা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটাতে নারাজ অভিনেতা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটান না বলেই নেতিবাচক বিষয় নিয়েও মাথাব্যথা নেই শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের। অবিরত সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ট্রোলিং কালচার চলছে তাতে কর্ণপাত করতে চান না তিনি। তবে আগামী প্রজন্মের মধ্যে যেহেতু তাঁর নিজের মেয়েও রয়েছেন তাই সবাইকেই যেটুকু উৎসাহ দেওয়ার সেটি অবশ্যই দেন তিনি।
আরও পড়ুন: 'শুধু ১৫ শতাংশ মানুষই চর্চা করে বাকিরা...', অভিকার জন্মদিনের ছবি নিয়ে যা বললেন রণজয়
কিন্তু নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের ‘জেন জি’ বলতে আপত্তি শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের। একটা গোটা প্রজন্মকে এইভাবে দাগিয়ে দেওয়া উচিত নয় বলেই মনে করেন তিনি। একটি সিনেমা দেখতে আসা ৫০০ লোকের মানসিকতা যেমন এক হতে পারে না, কেমন গোটা প্রজন্মের প্রত্যেকের মানসিকতাও এক হয় না তাই কোনও নাম দিয়ে তাদের দাগিয়ে দেওয়া উচিত নয় বলে মত অভিনেতার।
আরও পড়ুন: বাংলার পর এবার হিন্দিতে পদার্পণ সৃজার, কার বিপরীতে অভিনয় করবেন তিনি?
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: বাংলার পর এবার হিন্দিতে পদার্পণ সৃজার, কার বিপরীতে অভিনয় করবেন তিনি?
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, স্নেহশীল বাবা হোক অথবা দাপুটে পুলিশ অফিসার, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় সব সময় সব চরিত্রে ভীষণ সাবলীল। কাজের বাইরে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তেমনভাবে আলোচনা কখনোই করেন না তিনি। কাজের ক্ষেত্রেও মেয়েকে সাপোর্ট করলেও তিনি চান তাঁর মেয়ে যাতে নিজের প্রতিভার দ্বারাই এগিয়ে যেতে পারে।