বিগত কয়েকমাস ধরে ক্রমাগত সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে অভিনেতা তথা সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তীকে। গো-মাংস বিতর্কে নায়কের বিরুদ্ধে নেটিজেনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন। অনেকেই তাঁকে বিজেপির সমর্থক তকমা দিয়ে কটাক্ষও করেছিলেন। এবার রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের আবহে পোস্ট করলেন অভিনেতা। লিখলেন, ‘ধৈর্য! ধৈর্য বড় জিনিস।’

আরও পড়ুন: 'আমরা বাইরের লোক নই…', বাংলায় পদ্ম ফুটতেই সরব নুসরতের প্রাক্তন ‘অবাঙালি’ নিখিল
তিনি সোমবার রাজ্যে পরিবর্তনের আবহে একটি পোস্ট করেন। হলুদ রঙের শার্টে হাসি মুখে ধরা দেন তিনি। ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘ধৈর্য! ধৈর্য বড় জিনিস। আমার একটা প্রতিবাদ আর রে রে করে ছুটে আসা মানুষ গুলো কই?’
তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগীরা নানা কমেন্টে ভরে দেন। একজন লেখেন, ‘একদম.. ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করো, সময় সবার আসবে..জয় শ্রী রাম।’ আর একজন লেখেন, ‘ঠিক বলেছো তুমি দাদাভাই।’ আর একজন লেখেন, ‘ধৈর্য জিনিসটা কঠিন একটি ব্যাপার। যেটা সবার মধ্যে থাকে না।’ আর একজন লেখেন, ‘জয় শ্রীরাম ভাইয়া। সেদিন আমিও ভেবেছিলাম তোমার ভুল কোথায়?’
আরও পড়ুন: তৃণমূল সাংসদ রচনাকে দেখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি! ‘রাম আপনাদের একার নয়’, পাল্টা জবাব নায়িকার
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: তৃণমূল সাংসদ রচনাকে দেখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি! ‘রাম আপনাদের একার নয়’, পাল্টা জবাব নায়িকার
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে সায়কের সঙ্গে পার্কস্ট্রিটের এক নামী রেস্তোরাঁয়। মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন অভিনেতা, বদলে আসে বিফ। না জেনে সেটি খেয়েও নেন তাঁরা। এরপরই হইচই কাণ্ড। ধর্মভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্য় নিয়ে ‘ব্রাহ্মণ’ সায়ককে গো-মাতাকে খাইয়েছেন ওই বেয়ারা। এমন অভিযোগ আনেন অভিনেতা। তুমুল বচসার পর মামলা গড়ায় পুলিশ পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে এবার পরিবর্তনের আবহ। ইতিমধ্যেই ১৪৬টি আসনে জয় লাভ করেছে বিজেপি। ৬২টি আসনে এগিয়ে আছে। অন্যদিকে, তৃণমূল ৪৮টি আসনে জিতেছে, ৩১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। (এখনও পাওয়া তথ্য অনুসারে)।
গত ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয়েছিল। ১৬ জেলার মোট ১৫২টি আসনে সেই দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উত্তরবঙ্গ এবং রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে সেই দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান এবং দুই মেদিনীপুর জেলাতেও ভোট হয়েছিল সেদিন।অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট হয়েছিল ২৯ এপ্রিল। ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল।