Sayoni Chakraborty death case: প্রথমে অনীক দত্ত এবং তারপর সায়নী চক্রবর্তী, পরপর দুটি মৃত্যুর খবরে যেন শোকস্তব্ধ গোটা নেটপাড়া। তবে অনীক দত্তর মৃত্যুতে সুইসাইড নোট পাওয়া গেলেও সায়নী চক্রবর্তীর মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। অবশেষে এই বিষয়ে প্রথম মুখ খুললেন সায়নীর মা মলি চক্রবর্তী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘সুন্দরীর দিদি’ বলেই পরিচিত ছিলেন সায়নী। বাড়িতে কুকুর, বিড়াল এবং গরুদের নিয়ে ভিডিও বানাতেন সায়নী এবং তার মা মলি চক্রবর্তী। সুন্দরীকে দেখলেই যেন নিমেষে মন ভালো হয়ে যেত সকলের। কিন্তু এই পরিবারের সঙ্গেই এমন ঘটনা ঘটে যাবে তা কখনও দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেননি কেউ।
আরও পড়ুন: 'আজও মনে হয় হঠাৎ ফোন করে বলবি...', ঋতুপর্ণের মৃত্যুদিনে মন খারাপ প্রসেনজিতের
মেয়ের মৃত্যুর পর প্রথম সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছেন সায়নীর মা মলি চক্রবর্তী। এই সময় অনলাইনকে মলি চক্রবর্তী জানিয়েছেন, গত চার বছর ধরে একটি যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সায়নীর। দুই পরিবারের তরফেই সকলে জানত এই সম্পর্কের কথা। সকলে মেনেও নিয়েছিল। ছেলেটির বাড়ি ত্রিবেনীতে।
মলি চক্রবর্তী বলেন, ‘মেয়ের সঙ্গে সব সময় বন্ধুর সঙ্গে মিশেছি। সবসময় হাসিখুশি থাকত ও। পশুপাখিদের নিয়ে থাকতে ভালোবাসত। কিন্তু আমার মেয়ের সঙ্গে যা ঘটে গেল, তার উচিত শাস্তি চাই আমি। মেয়ের প্রেমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি থানায়।’
ঘটনার দিনের বর্ণনা দিতে গিয়ে মলি জানান, ‘যেদিন ঘটনাটি ঘটেছে তার আগের দিন প্রেমিক সায়নের বাড়িতে গিয়েছিলেন সায়নী। কিছুক্ষণ পরেই কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে এসেছিল। নিশ্চয়ই ওখানে এমন কিছু ঘটেছিল যার ফলে ও এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।’
{{/usCountry}}ঘটনার দিনের বর্ণনা দিতে গিয়ে মলি জানান, ‘যেদিন ঘটনাটি ঘটেছে তার আগের দিন প্রেমিক সায়নের বাড়িতে গিয়েছিলেন সায়নী। কিছুক্ষণ পরেই কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে এসেছিল। নিশ্চয়ই ওখানে এমন কিছু ঘটেছিল যার ফলে ও এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: বিনায়কের বাড়িতে এন্ট্রি বাবলি সুন্দরীর, তবে কি শুরু ভালবাসার গল্প?
মলি চক্রবর্তীর দাবি অনুযায়ী, সায়নীর বন্ধুদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে সায়ন সায়নীর গায়ে হাত তুলত। ছেলেটির নাকি ড্রিঙ্ক করত। মায়ের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও এই সমস্ত কথা মায়ের থেকে লুকিয়ে গিয়েছিল সায়নী। মেয়ের ফোন ঘেঁটে কিছু চ্যাট পাওয়া গিয়েছে, যেগুলো ইতিমধ্যেই মগরা থানার পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন মলি।
সায়নীর মায়ের প্রশ্ন, ঘটনার পর থেকেই নাকি সায়ন এবং তার বাড়ির কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যদি তেমন কিছু না ঘটে তাহলে তারা পালিয়ে গেল কেন? প্রশ্ন মলিদেবীর। তবে পুলিশ এবং আইনের উপর আস্থা রাখছেন মলি চক্রবর্তী। তিনি শুধু চান দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক।