...
...
Next Story

'তিনি সরকার ঘনিষ্ঠ, কিছু যেন ধামাচাপা না পড়ে…', রাহুলের মৃত্যুতে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শতরূপের

তালসারির সমুদ্রে শ্যুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তাঁর অনুরাগী ও ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুরা। শ্যুটিং ফ্লোরের নিরাপত্তার অভাব, অব্যবস্থা, গাফিলতির নানা কথা উঠে আসছে বারবার। এবার সেই প্রসঙ্গে সরব হলেন সিপিআইএম নেতা শতরূপ ঘোষ।

Published on: Mar 30, 2026, 21:03:54 IST
Advertisement

তালসারির সমুদ্রে শ্যুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর এমন একটা মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তাঁর অনুরাগী ও ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুরা। শ্যুটিং ফ্লোরের নিরাপত্তার অভাব, অব্যবস্থা, গাফিলতির নানা কথা উঠে আসছে বারবার। এবার সেই প্রসঙ্গে সরব হলেন সিপিআইএম নেতা শতরূপ ঘোষ।

'কোথাও ধামাচাপা না পড়ে…', রাহুলের মৃত্যুতে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শতরূপের
'কোথাও ধামাচাপা না পড়ে…', রাহুলের মৃত্যুতে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শতরূপের

আরও পড়ুন: 'ব্যোমকেশ' বিতর্ক অতীত, ‘বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেল’, সমবয়সী রাহুলের প্রয়ানে শোকাহত দেব

তমলুকের হাসপাতালে সোমবার সকালে ময়নাতদন্ত হয় রাহুলের। সেখান থেকে অভিনেতার মরদেহ নিয়ে কলকাতায় আসা হয়। সেখানে শতরূপরাও উপস্থিত ছিলেন। এই প্রসঙ্গে নিউজ ১৮ বাংলার সঙ্গে কথা বলে গিয়ে শতরূপ জানান প্রোডাকশন হাউজের এই ধারাবাহিক ছিল সেই লীনা গঙ্গোপাধ্যায় সরকার ঘনিষ্ঠ। তাই তদন্ত যেন কোথাও ধামাচাপা না পড়ে। তাই তাঁরা এই শেষকৃত্য মিটে যাওয়ার পরেও এর শেষটা দেখবেন। রাহুলকে শুধু ফুল মালায় চিরবিদায় জানাবেন না তাঁরা।

উল্লেখ্য, অভিনেতার শেষকৃত্য সম্পন্ন হলেই প্রোডাকশন হাউজের কাছে নিরাপত্তার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস।

আরও পড়ুন: ‘দয়া করে ওরকম ছবি তুলবেন না, রাহুলের বাচ্চা আছে, মা আছে…’! কাতর অনুরোধ শ্রীলেখার

দীঘা ও তালসারি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাহুল ও ধারাবাহিকের নায়িকা শ্বেতা যখন জলে ডুবে যায়, তখন ড্রোন শট নেওয়া চলছিল। অন্যদিকে, লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি সমুদ্রে নামার কোনও শটই নাকি ছিল না!

তাছাড়াও লাইফ সেভিং গার্ড, ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল টিম কেন ছিল না আউটডোর শ্যুটে? যেখানে সমুদ্রের ধারে শ্যুট করা হচ্ছে। কারণ প্রত্যক্ষদর্শী থেকে শুরু করে, সিরিয়ালের সদস্যরা সকলেই বলেছেন, সমুদ্র থেকে উদ্ধার করার পরেও, বেঁচে ছিলেন রাহুল। ফলে সব মিলিয়ে একাধিক অসংগতি।

তমলুক মহকুমা হাসপাতাল থেকে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মরদেহ কলকাতায় নিয়ে আনা হয়। দুপুর ২:৪৫ নাগাদ তাঁর মরদেহ বিজয়গড়ের বাসভবনে পৌঁছয়।পৌঁছেছিলেন রাহুলের সহকর্মী-বন্ধুরাও। শেষশ্রদ্ধা জানান, দীপ্সিতা ধর, শতরূপ ঘোষরা। চোখের জলে বন্ধু রাহুলকে শেষবিদায় জানান আবির চট্টোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, ঋদ্ধিমা, রূপম ইসলামরা।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe