Pulwama attack mastermind Hamza Killed: পুলওয়ামা হামলার 'মাস্টারমাইন্ড' হামজা বুরহানকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হল। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে'র প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফ্ফরাবাদে হামজাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজরা (আননোন গানম্যান হিসেবে পরিচিত)। তার জেরে মৃত্যু হয়েছে পুলওয়ামা হামলার 'মাস্টারমাইন্ড'-র। ২০১৯ সালে যে হামলার ঘটনায় ভারতের ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। সেই নৃশংস জঙ্গি হামলার পরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। আর এবার খতম হয়ে গেল পুলওয়ামা হামলার 'মাস্টারমাইন্ড'।
পুলওয়ামা হামলার 'মাস্টারমাইন্ড' হামজা আসলে কে?

১) পুলওয়ামার খারবাতপোরায় জন্মগ্রহণ করেছিল হামজা। উচ্চশিক্ষার অজুহাতে ২০১৭ সালে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল। তবে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আল-বদরে যোগ দিয়েছিল। তারপর ওই জঙ্গি সংগঠনের কম্যান্ডার হয়েছিল।
২) ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে হামজাকে জঙ্গির তকমা দিয়েছিল। যে ‘ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিত ছিল।
পাকিস্তানের হয়ে ‘চরবৃত্তি’, কলকাতার ১ জন গ্রেফতার
আর সেই ঘটনা এমন একটা দিনে সামনে এসেছে, যার আগেরদিন ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএয়ের তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জাফর রিয়াজ ওরফে রিজভি নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের কাছে ভারতের অত্যন্ত গোপনীয় ও সংবেদনশীল নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে জাফরকে। বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এবং বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের (ইউএপিএ) একাধিক কঠোর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃত একজন পাকিস্তানির সঙ্গে বিয়ে করেছিল। তার সন্তানরাও পাকিস্তানের নাগরিক।
NIA-র তরফে কী কী জানানো হয়েছে?
{{/usCountry}}NIA-র তরফে কী কী জানানো হয়েছে?
{{/usCountry}}এনআইএয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য পাকিস্তানের তথাকথিত গোয়েন্দা অফিসারদের কাছে সংবেদনশীল তথ্য পাচার করত। তার বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছিল লুক-আউট নোটিশ। এমনকী 'ঘোষিত অপরাধী'-র তকমাও দেওয়া হয়েছিল জাফরের নামে।
আর 'ঘোষিত অপরাধী'-র তকমা কেন দেওয়া হয়েছিল, সেটাও এনআইএয়ের তরফে জানানো হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগেও চরবৃত্তির একটি মামলায় জাফর দণ্ডিত হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে যে ২০০৫ সাল থেকেই নিয়ম ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে যাতায়াত করত। সেরকমই একটি সফরের সময় অর্থের লোভ এবং নাগরিকত্বের টোপ দিয়ে তাকে ভারতে চরবৃত্তির জন্য নিয়োগ করেছিল পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসাররা।