8th Pay Commission Latest Update: সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যূনতম বেসিক পে ছিল ১৮,০০০ টাকা। অষ্টম বেতন কমিশনের আওতায় সেই অঙ্কটা বেড়ে কি প্রায় ৬৯,০০০ টাকায় পৌঁছে যাবে? সেই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। আর সেই বিষয়টা যদি হয়, তাহলে একলপ্তে ন্যূনতম বেসিক পে ২৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে যাবে। কারণ ১০ বছর আগে কার্যকর হওয়া সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় ন্যূনতম বেসিক পে ছিল ১৮,০০০ টাকা। এবার সেটা একধাক্কায় প্রায় ৫১,০০০ টাকা বাড়তে পারে বলে জল্পনা চলছে।
ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর - ৩.৮৩ থেকে ৪.৩৮?

সেই জল্পনার নেপথ্যে আছে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, অষ্টম বেতন কমিশনের ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ৩.৮৩ রাখার আর্জি জানানো হয়েছে একাধিক সংগঠনের তরফে। কোনও কোনও কর্মচারী সংগঠনের তরফে আবার ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ৪.৩৮ করারও দাবি তোলা হয়েছে। তবে শেষপর্যন্ত কোন দাবি মান্যতা পাবে, তা এখনও নির্দিষ্ট নয়। অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশ হাতে পেলেই সেটা বোঝা যাবে।
ষষ্ঠ বেতন কমিশনে ৭,০০০ টাকা ছিল, তারপর হয়েছিল ১৮,০০০ টাকা
এমনিতে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমান বেসিক পে'র সঙ্গে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরকে গুণ করে নয়া বেসিক পে নির্ধারণ করা হয়। সপ্তম বেতন কমিশনের যেমন ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ছিল ২.৫৭। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ন্যূনতম বেসিক পে ছিল ৭,০০০ টাকা। সেই ৭,০০০ টাকার সঙ্গে ২.৫৭ গুণ করে সপ্তম বেতন কমিশনে ন্যূনতম বেসিক পে ১৮,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কবে সুপারিশ জমা পড়বে অষ্টম বেতন কমিশনের?
{{/usCountry}}কবে সুপারিশ জমা পড়বে অষ্টম বেতন কমিশনের?
{{/usCountry}}অষ্টম বেতন কমিশনে সেই ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বাড়ানোর দাবি তোলা হয়েছে। যে কমিশন সেই বিষয়ে সুপারিশ করবে, তা গত বছরের ৩ নভেম্বর গঠিত হয়েছিল। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, কমিশন গঠনের ১৮ মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়া হবে সরকারের কাছে। সেইমতো অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশ জমা পড়তে নিদেনপক্ষে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিল হবে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে খাতায়কলমে ডেডলাইন শেষ হচ্ছে ২০২৭ সালের মে'তে।
আর রিপোর্ট জমা পড়ার পরে অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর করতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, অতীতের ট্রেন্ড থেকে মনে করা হচ্ছে যে অষ্টম বেতন কমিশন সুপারিশ জমা দেওয়ার দুই থেকে তিন বছর পর থেকে সেটি কার্যকর হবে। অর্থাৎ যাবতীয় সুপারিশ কার্যকর হতে ২০২৯ সাল বা ২০৩০ সাল হতে পারে বলে একটি মহলের তরফে দাবি করা হচ্ছে।