ফরিদাবাদের আল ফালার সন্দেহভাজন ৩ ডাক্তারদের কোন সুইস অ্যাপে যোগাযোগ ছিল? চলত সন্ত্রাসী প্লটের প্ল্যান!
ইতিমধ্যেই দিল্লি বিস্ফোরণ ঘিরে ফরিদাবাদের আল ফালা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে তদন্তকারীদের স্ক্যানারে
হরিয়ানার ফরিদাবাদে আল ফালা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাধিক ডাক্তারের বিরুদ্ধে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক মজুত সহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপে যোগ থাকার অভিযোগ রয়েছে। ইতমধ্যেই জঙ্গি সন্দেহে ধৃত এখানের ডাক্তার ড. শাহিন শাহিদ ও ড. মুজাম্মিল গ্রেফতার হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসীচক্রে নাম ওঠা ড. উমর নবি ইতিমধ্যেই দিল্লি বিস্ফোরণে মৃত বলে সন্দেহ রয়েছে, যা বহু রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এদিকে, তারই মাঝে পিটিআই সূত্রে এই তিন চিকিৎসককে ঘিরে উঠে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ইতিমধ্যেই দিল্লি বিস্ফোরণ ঘিরে ফরিদাবাদের আল ফালা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে তদন্তকারীদের স্ক্যানারে। তারই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আল ফালা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ধৃত ডাক্তার নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখত এনক্রিপটেড সুইস অ্যাপ ‘থ্রিমা’ দ্বারা। এই তথ্য তুলে ধরেছে পিটিআই। পুলিশকে উল্লেখ করে পিটিআই জানিয়েছে, ড. উমর নবি, ড. মুজাম্মিল গনি, ড. শাহিন শহিদ তিনজনেই এই অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখত। এই এনক্রিপটেড অ্যাপকে ব্যবহার করে তারা চালাত পরিকল্পনা নিয়ে কথাবার্তা। জানা যাচ্ছে, এদের সন্ত্রাসী প্লটও এই অ্যাপের দ্বারাই তৈরি হয়। বলা হচ্ছে, মুজাম্মিলের গ্রেফতারির পর থেকেই ডিজিটাল দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করে ড. উমর। এও জানা যাচ্ছে, লাল ইকোস্পোর্ট গাড়িকে সে ব্যবহার করে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত করার জন্য। উল্লেখ্য, এই উমরই দিল্লি বিস্ফোরণের গাড়িটি চালাচ্ছিল বলে খবর। আল ফালার তিন চিকিৎসকের মধ্যে উমরই ছিল সকলের মধ্যের সেতু।
দিল্লি বিস্ফোরণের আহতদের যন্ত্রণা:-
এদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে দিল্লি বিস্ফোরণে আহতদের। সোমবারের ভয়াবহ বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই ১০ জন আহত হওয়ার খবর উঠে এসেছে। বাকিরা রয়েছেন চিকিৎসাধীন। এদিকে, জানা যাচ্ছে, আহতদের অনেকেরই কানে শোনায় সমস্যা হচ্ছে। অনেকেই ভয়াবহ ক্ষতের জেরে প্রবল যন্ত্রণায় কাতর। আবার অনেকের মধ্যে বিস্ফোরণের ‘ট্রমা’ থেকে গিয়েছে। দিল্লির LNJP হাসপাতালে এই মুহূর্তে ১২ জন ভর্তি রয়েছেন। ৬ জন আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছেন। ৪ জন রয়েছেন আইসিইউতে।
E-Paper

