Nana Patekar Indian Army Connection: প্রয়াত অভিনেতা নানা পাটেকর, কার্গিল যুদ্ধের সময় ভারতীয় সেনার যোগ দিয়ে ছিলেন LoC-তে
Nana Patekar Indian Army Connection: ভারতীয় সিনেমার প্রখ্যাত অভিনেতা নানা পাটেকর প্রয়াত হলেন। ১৯৭৮ সালে অভিষেকের পরে পারিন্দা, প্রহার, অঙ্গার, ক্রান্তিবীর, তিরঙ্গা, খামোসি, অব তক ছাপ্পানের মতো অসংখ্য সিনেমায় কাজ করেছেন। ভারতীয় সেনার প্রতিও তাঁর ভালোবাসা ছিল সর্বজনবিদিত।
Nana Patekar Indian Army Connection: প্রয়াত হলেন অভিনেতা নানা পাটেকর। বয়স হয়েছিল ৭৫। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোয়ায় নিজের বাড়িতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন অভিনেতা। ভোর ৫ টা ২০ মিনিট নাগাদ শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মণিপাল হাসপাতালের অঙ্কোলজি বিভাগের প্রধান শেখর সালকর জানিয়েছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পরে টানা ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দেওয়া হয় অভিনেতাকে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। ইতিমধ্যে একটি মেডিকো-লিগাল কেস (মেডিক্যাল কেস) দায়ের করা হয়েছে। করা হবে ময়নাতদন্ত।

ভারতীয় সামরিক বাহিনীর প্রতি নানা পাটেকরের ভালোবাসা
যেদিন প্রখ্যাত অভিনেতা শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন, সেদিন ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজ ৯৪ তম ভারতীয় বায়ুসেনা দিবস। আর ভারতের সামরিক বাহিনীর প্রতি প্রখ্যাত অভিনেতার নিষ্ঠা এবং ভালোবাসার বিষয়ে সকলেই জানেন। এমনকী ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের সময় মাসদুয়েক ভারতীয় সেনার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণরেখার (LoC) কাছে কাটিয়েছিলেন।
কম্যান্ডো ট্রেনিং থেকে জাতীয় স্তরে রাইফেল শ্যুটিং
২০২৪ সালে সংবাদমাধ্যম লাল্লানটপের একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছিলেন যে কার্গিল যুদ্ধের সময় ভারতীয় সেনায় সঙ্গে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। সেজন্য তৎকালীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। প্রাথমিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে আমজনতা আচমকা সেনায় যোগ দিতে পারেন না। যদিও অভিনেতা বলেছিলেন যে তিনি কম্যান্ডো ট্রেনিং করেছেন। আগ্নেয়াস্ত্র চালাতেও পারেন। জাতীয় স্তরের রাইফেল শ্যুটিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ব্রোঞ্জও জিতেছিলেন।
আর তাঁর সেইসব কথা শুনে ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ছাড়পত্র প্রদান করতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজি হয়েছিলেন বলে ওই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন অভিনেতা। তিনি জানিয়েছিলেন, ভারতীয় সেনার সঙ্গে প্রায় ৬০ দিন কাটিয়েছিলেন। দ্রাস, লেহ, কুপওয়ারা, বারামুল্লা, সোপোরের মতো একাধিক জায়গায় গিয়েছিলেন সেনার সঙ্গে। সেইসময় কিউআরটি বা কুইক রেসপন্স টিমের সদস্য ছিলেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা।
অপারেশন সিঁদুরের সময়ও আর্থিক সহায়তা
যিনি পরবর্তীতেও ভারতীয় সেনার প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। এমনকী গত বছর ভারতের অপারেশন সিঁদুরের সময় যখন পাকিস্তানের গোলাগুলিতে সীমান্তবর্তী একাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেইসময় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছিলেন। ভারতীয় সেনার সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিজের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত ১১৭টি পরিবারের হাতে ৪২ লাখ টাকা তুলে দিয়েছিলেন।
সেইসময় তিনি বলেছিলেন, 'দেশে যখন এরকম ঘটনা ঘটে, তখন সাহায্য করা আমাদের কর্তব্য। ওঁরা আমাদের ভাইবোন। এটা আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। আমরা ওঁদের উপরে কোনওরকম দয়া দেখাইনি। এই কাজটা সকলের করা উচিত।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


