Siliguri Highway Corridor and Bridge: শিলিগুড়ি-গুয়াহাটি-শিলং হাইওয়ে করিডর তৈরি করবে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গডকড়ি জানিয়েছেন, দুটি ভাগে ৬১,৫০০ কোটি টাকার সেই হাইওয়ে করিডর তৈরি করা হবে। প্রথম ভাগে তৈরি করা হবে শিলিগুড়ি থেকে গুয়াহাটি থেকে ৪০০ কিলোমিটার হাইস্পিড করিডর। দ্বিতীয় ভাগে গুয়াহাটি থেকে শিলং পর্যন্ত সেই হাইওয়ে করিডর এগিয়ে যাবে। আর তারইমধ্যে সেবকে করোনেশন ব্রিজের বিকল্প সেতুর জন্য ১,১৭৫.৫৯ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর দুটি প্রকল্পের ফলেই শিলিগুড়ি করিডর বা চিকেনস নেকের নিরাপত্তা আরও মজবুত হবে।
বিকল্প করোনেশন ব্রিজের মেগা পরিকল্পনা

কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন, সেবকে তিস্তা নদীর উপরে ছয় লেনের করোনেশন সেতুর সেই বিকল্প ব্রিজ তৈরি করা হবে। ৬.৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ সেই সেতু দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ করবে। কারণ করোনেশন ব্রিজ যথেষ্ট ‘বয়স্ক’ হয়ে গিয়েছে। বাড়তি চাপ সামলানো দিন-দিন কঠিন হয়ে উঠছে। সেই পরিস্থিতিতে বিকল্প করোনেশন ব্রিজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল।
গডকড়ি জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বিকল্প করোনেশন ব্রিজের পরে শিলিগুড়ি করিডর বা চিকেনস নেকের সঙ্গে সিকিম এবং অন্যান্য উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মজবুত হবে। মানুষের চলাচল যেমন সুবিধাজনক হবে, তেমনই সহজে ভারতীয় সেনা যাতায়াত করতে পারবে। উন্নত মানের ব্রিজ তৈরি করা হওয়ায় যাতায়াতের সময় কমবে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতিরও লাভ হবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
শিলিগুড়ি থেকে হাইস্পিড করিডরের ঘোষণা
আর সেই ঘোষণার আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও একটি মেগা প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। একটি কনক্লেভ থেকে তিনি বলেছেন, ‘আমি একটাই রাস্তা তৈরি করছি। শিলিগুড়ি-গুয়াহাটি, গুয়াহাটি-শিলং। মোট দৈর্ঘ্য ৬৩০ কিলোমিটার। প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬১,৫০০ কোটি টাকা। শিলিগুড়ি থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত হাইস্পিড করিডর হবে। ৪০০ কিলোমিটারের জন্য ৩০,০০০ কোটি টাকা - এটা অনুমোদন পাওয়ার পর্যায়ে আছে। সেটা হয়ে যাবে।’
{{/usCountry}}আর সেই ঘোষণার আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও একটি মেগা প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। একটি কনক্লেভ থেকে তিনি বলেছেন, ‘আমি একটাই রাস্তা তৈরি করছি। শিলিগুড়ি-গুয়াহাটি, গুয়াহাটি-শিলং। মোট দৈর্ঘ্য ৬৩০ কিলোমিটার। প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬১,৫০০ কোটি টাকা। শিলিগুড়ি থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত হাইস্পিড করিডর হবে। ৪০০ কিলোমিটারের জন্য ৩০,০০০ কোটি টাকা - এটা অনুমোদন পাওয়ার পর্যায়ে আছে। সেটা হয়ে যাবে।’
{{/usCountry}}পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় ভাগে যে গ্রিনফিল্ড সেকশন আছে, সেটার ফলে দূরত্ব কমে ৬৬ কিলোমিটার হয়ে যাবে। এখন ওই পথের দূরত্ব ১০০ কিমির মতো। একধাক্কায় দূরত্ব কমে যাওয়ায় যাতায়াতের সময়ও দেড় ঘণ্টার মতো কমে যাবে। আড়াই ঘণ্টার রাস্তা যেতে মেরেকেটে লাগবে এক ঘণ্টা।
শিলং থেকে শিলচরও যুক্ত হবে
তবে সেখানেই নয়, তৃতীয় ভাগে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে ওই করিডরকে। ওই পর্যায়ে শিলং থেকে শিলচর পর্যন্ত ১৬৫ কিমি দীর্ঘ গ্রিনফিল্ড করিডরের ওয়ার্ড অর্ডার জারি করা হবে আগামী নভেম্বরে। গডকড়ি জানিয়েছেন, ওই প্রকল্পের ফলে ২৩০ কিমির রাস্তার দৈর্ঘ্য কমে ১৬৫ কিমি হয়ে যাবে। ফলে এখন যে রাস্তাটা যেতে আট ঘণ্টা লাগে, সেটা আগামিদিনে চার ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যাবে।