Anti-submarine INS Mangrol: সাবমেরিন 'হান্টার' আইএনএস মাংরোল জুড়ল ভারতীয় নৌসেনায়। কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের তৈরি করা সেই ‘অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটার ক্র্যাফট’ সোমবার মুম্বইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌসেনায় যুক্ত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নয়া জাহাজের ফলে নৌসেনার অ্যান্টি-সাবমেরিন ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেল। বিশেষত যে উপকূলবর্তী এলাকায় বড়-বড় রণতরীগুলির অপারেশনের ক্ষেত্রে কিছুটা বাধা থাকে, সেখানে অত্যন্ত কার্যকরী হবে। অন্যান্য মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য রণতরীর সঙ্গে সাবমেরিনের মোকাবিলা করতে পারবে।
সাবমেরিন 'হান্টার' কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

মুম্বইয়ের অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করা নৌসেনার ওয়েস্টার্ন নাভাল কমান্ডের ফ্ল্যাগ অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎসায়ন জানিয়েছেন, যখন ভূ-আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি বাড়ছে এবং সামুদ্রিক পথে সংঘাত বাড়ছে, সেইসময় এরকম সাবমেরিন 'হান্টার' আইএনএস মাংরোল নৌবহরে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তাঁর মতে, বর্তমানে সমুদ্র শুধুমাত্র আর বাণিজ্য ও যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। রং কৌশলগত প্রতিযোগিতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নয়া চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রও বটে। বিস্তীর্ণ উপকূলবর্তী অঞ্চল, দ্বীপপুঞ্জ এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যিক পথ থাকায় ভারতীয় নৌসেনাকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। আর সর্বদা প্রস্তুত থাকা নৌসেনা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানান ওয়েস্টার্ন নাভাল কমান্ডের ফ্ল্যাগ অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ ভাইস অ্যাডমিরাল বাৎসায়ন।
তৃতীয় মাহে-ক্লাস ভেসেল হল আইএনএস মাংরোল
{{/usCountry}}তৃতীয় মাহে-ক্লাস ভেসেল হল আইএনএস মাংরোল
{{/usCountry}}আর সেই উদ্দেশ্যে ভারতীয় নৌসেনায় যে আইএনএস মাংরোল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একইভাবে মাইনসুইপার ১৯৮৩ সাল থেকে ২০০৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ভারতীয় নৌসেনায় ছিল। এবার নতুনভাবে নৌসেনায় ফিরে এল আইএনএস মাংরোল। যা কোচিন শিপইয়ার্ডের তৈরি করা তৃতীয় মাহে-ক্লাস ভেসেল। মোট আটটি এরকম ভেসেল তৈরি করবে কোচিন শিপইয়ার্ড।
ভারতের আইএনএস মাংরোলে কী কী আছে?
১) আইএনএস মাংরোলে তিনটি ডিজেল ইঞ্জিন থাকছে। এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে অগভীর জলেও দ্রুত চলাচল করতে পারে এবং দ্রুত বাঁক নিতে পারে।
২) ওই অ্যান্টি-সাবমেরিনে অভয় হাল-মাউন্টেন্ড সোনার আছে। থাকছে লাইটওয়েট টর্পেডো, দেশীয়ভাবে তৈরি অ্যান্টি-সাবমেরিন রকেট লঞ্চার এবং মারিচ অ্যাডভান্সড টর্পেডো ডেকোয় সিস্টেম।
৩) দেশীয়ভাবে তৈরি ৮০ শতাংশের বেশি সরঞ্জাম দিয়ে আইএনএস মাংরোল তৈরি করা হয়েছে।
৪) নৌসেনার তরফে জানানো হয়েছে, আধুনিক অস্ত্র এবং সেনসর আছে আইএনএস মাংরোলে।