FIFA World Cup 2026 Final Statistics: বিশ্বকাপ ফাইনালে তেকাঠিতে শট নেই ১টাও! শেষ ৩৬ বছরে ৩ বার এরকম নজির আর্জেন্টিনার
FIFA World Cup 2026 Final Statistics: শেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপ ফাইনালে এরকম লজ্জার নজির হয়েছে তিনবার। কিন্তু দলটা শুধু একটাই থেকেছে। দলটা হল আর্জেন্টিনা। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালেও তা হয়েছে। আর কী কী নজির তৈরি হল?
FIFA World Cup 2026 Final Statistics: বিশ্বকাপ ফাইনালে গোলে প্রথম শট ১১৫ মিনিটে। পুরো ম্যাচে তেকাঠিতে একটি শটও রাখতে পারেনি। স্পেনের বিরুদ্ধে এমনই ভয়ংকর হাল হয়েছে আর্জেন্টিনার। বিশ্বকাপ ফাইনালের পরিসংখ্যানে চোখ বোলালে দেখা যাবে, স্পেনের গোলমুখী শট ছিল মোট ২০টি। আর আর্জেন্টিনা ১২০ মিনিটে কোনওক্রমে তিনটি শট মেরেছে। তাও ১০৬ মিনিটে গোল হজমের পরে ১১৫ মিনিটে প্রথম শট মারে। কিন্তু একটিও গোলে ছিল না। সেখানে স্পেনের ১১টি শট তেকাঠিতে ছিল।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পরিসংখ্যান
১) গত ৬০ বছরে একমাত্র দল হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে তেকাঠিতে শট রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এই নিয়ে তিনবার এরকম হল - ১৯৯০ সাল (বনাম পশ্চিম জার্মানি), ২০১৪ সাল (বনাম জার্মানি) এবং ২০২৬ সাল (বনাম স্পেন)।
২) বিশ্বকাপজয়ী দেশগুলির মধ্যে সবথেকে কম গোল হজম করল স্পেন। এবার বিশ্বকাপে একটি গোল হজম করেছে। সার্বিকভাবে বিশ্বকাপে কোনও গোল হজম করেনি একমাত্র সুইৎজারল্যান্ড। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে কোনও গোল হজম করেনি।
৩) স্পেনের হেড কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে বড় টুর্নামেন্টের ১৫টি ম্যাচেই অপরাজিত থাকলেন। ইউরো এবং ফুটবল বিশ্বকাপ মিলিয়ে সেই নজির গড়েছেন। ১৫টির মধ্যে ১৪টি ম্যাচ জিতেছেন। ড্র করেছেন একমাত্র কেপ ভার্দের
৪) বর্তমান ইউরোজয়ী দল জিতছে বিশ্বকাপও - এরকম হল তৃতীয়বার। পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল। ইউরো জিতেছিল ১৯৭২ সালে। আবার স্পেন ২০০৮ সালে ইউরো জিতেছিল। ২০১০ সালে জিতেছিল বিশ্বকাপ। আর এবার ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ জিতল স্পেন। ইউরো জিতেছিল ২০২৪ সালে।
৫) এবার বিশ্বকাপে সাতটি ক্লিনশিট রেখেছে স্পেন। একটি বিশ্বকাপে সর্বাধিক ক্লিনশিট রাখার ক্ষেত্রে নিজেদের রেকর্ড আরও এগিয়ে নিয়ে গেল।
৬) স্পেনের বিরুদ্ধে ১১টি সেভ করেছেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। যা গত ৬০ বছরে বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ সেভ।
৭) বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির টাচের সংখ্যা ছিল ৫৪। যা তাঁর বিশ্বকাপ কেরিয়ারে পঞ্চম সর্বনিম্ন (যে ম্যাচের প্রথম একাদশে ছিলেন)।
৮) বিশ্বকাপে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভেঙে গেল আর্জেন্টিনার। ২০২২ সালের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হারের পরে বিশ্বকাপে টানা ১৩টি ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন মেসিরা। স্পেন সেই ধারায় ইতি ফেলে দিল।
৯) প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পরপর দুটি বিশ্বকাপ গোল্ডেন বুট জয়ের নজির গড়লেন ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


