Pakistan Army Chief Munir Split Plan: পাকিস্তানকে ভেঙে টুকরো-টুকরো করে ফেলা হবে! হতে পারে ১৬০টি ভাগও, ছক খোদ মুনিরেরই
Pakistan Army Chief Munir Split Plan: পাকিস্তানকে ভেঙে-ভেঙে টুকরো করে ফেলা হবে - ছক কষছেন খোদ পাকিস্তানি সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরই! আর সেটার নেপথ্যে ভয়ংকর পরিকল্পনা আছে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের।
Pakistan Army Chief Munir Split Plan: পাকিস্তানকে নাকি ভেঙে টুকরো-টুকরো করে ফেলার ছক কষছেন খোদ আসিম মুনির। সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চারটি প্রদেশকে (পঞ্জাব, সিন্ধ, খাইবার পাখতুনখাওয়া এবং বালোচিস্তান) ছোটো-ছোটো অংশ ভেঙে ফেলতে চাইছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান। আর মুনির নাকি এমনই পরিকল্পনা করছেন, তাতে ‘ভেঙে ফেলা’ বললেও কম বলা হবে না। কারণ ওই চারটি প্রদেশকে এক ডজন বা তারও বেশি, এমনকী ১৬০টি অংশেও ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা চলছে।

কোন লক্ষ্যে এমন পরিকল্পনা করছেন মুনির?
এমনিতে ১৯৪৭ সাল থেকে পাকিস্তানের ওই চারটি প্রদেশ অপরিবর্তিত আছে। দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষই থাকেন ওই চারটি প্রদেশে। তাও বালোচিস্তানে জনসংখ্যা একেবারে কম। সেই পরিস্থিতিতে বড় প্রদেশগুলিকে ছোটো-ছোটো অংশে ভাগ করার বিষয়টি প্রশাসনিক দিক থেকে ইতিবাচক শোনালেও বাস্তবে মুনিরের আসল উদ্দেশ্য অন্য বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পাকিস্তানের ছোটো-ছোটো অংশেও মুনির শাসন করবেন
ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, বড়-বড় প্রদেশগুলিকে ভেঙে যে ছোটো-ছোটো অংশ তৈরি করা হবে, তার মাথায় সম্ভবত থাকবেন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। অথবা প্রাদেশিক আইনসভা বা জেলা আইনসভা বা 'সরকারের' মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে শাসনকার্য চালানো হতে পারে। আর বাস্তবে পাকিস্তানে ‘সরকার’ হলেন সেনাপ্রধান। এখন যে পদে আছেন মুনির।
অর্থাৎ আদতে মুনিরই ছোটো-ছোটো অংশগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করবেন। বকলমে চারটি বড় প্রদেশই থাকবে তাঁর হাতে। একাংশের ধারণা, মুনির আসলে সব রাজনৈতিক দলকে তুলে দিতে চাইছেন। সামরিক শাসনেরও মধ্যে পঞ্জাব এবং সিন্ধ প্রদেশে কিছুটা নিজস্ব শাসনব্যবস্থা মাথা তুলে তাকাতে পারে। কিন্তু মুনির সেই সুযোগটাও বন্ধ করে দিয়ে নিজের হাতে পুরো ক্ষমতা নিয়ে নিতে চাইছেন। সার্বিকভাবে তো তাঁর হাতে পাকিস্তানের ক্ষমতা তো আছেই। এবার ছোটো-ছোটো অংশকেও কার্যত তাঁর প্রত্যক্ষ শাসনে নিয়ে আসতে চাইছেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।
পাকিস্তানের উন্নতির পথে সবথেকে বড় বাধা সেনাই
এমনিতে বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের উন্নতির ক্ষেত্রে সবথেকে বড় অন্তরায় হল সেনাই। নিজেদের পকেট ফুলিয়ে রাখার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের সঙ্গে সংঘাত বাড়িয়ে রাখতে চায়। তাহলে প্রতিরক্ষা খাতে আরও বেশি অর্থ বরাদ্দ করা যাবে। দেশের লোকজন খেতে না পেলেও ভরিয়ে রাখা যাবে নিজেদের পকেট। তাই অতীতে একাধিকবার এরকম দেখা গিয়েছে যে নয়াদিল্লি এবং ইসলামাবাদের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কিছুটা চেষ্টা করা হলেই ভারতে জঙ্গি হামলা ঘটেছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


