India makes fun of Pakistan: 'বোমায় বিধ্বস্ত বায়ুঘাঁটি দেখে পাকিস্তান যদি আনন্দ পায়, পাক না', মজা ওড়াল ভারত
India makes fun of Pakistan: 'বোমায় বিধ্বস্ত বায়ুঘাঁটি দেখে পাকিস্তান যদি আনন্দ পায়, পাক না', চূড়ান্ত কটাক্ষ করল ভারত। রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চ থেকে পাকিস্তানকে তুলোধোনা করলেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ। বিঁধলেন সন্ত্রাসবাদ নিয়ে।
India makes fun of Pakistan: বিশ্বমঞ্চে ভারতের কাছে আরও একপ্রস্থ অপদস্থ হল পাকিস্তান। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে পাকিস্তানি সেনার মিথ্যের ফ্যাক্টরি থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদে মদত জোগানো নিয়ে ইসলামাবাদকে কচুকাটা করলেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ। রীতিমতো কটাক্ষ করে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি রঘু পুরী বলেন যে অপারেশন সিঁদুরের পরিণতি নিয়ে পাকিস্তানি সেনার মিথ্যে দাবি বেচতে ইসলামাবাদ যে মরিয়া চেষ্টা করছে, সেটা বুঝতে পারছেন। আর বোমায় বিধ্বস্ত বায়ুঘাঁটি এবং গর্তে ভরা রানওয়ে দেখে যদি পাকিস্তানের কাছে জয় বলে মনে হয়, তাহলে সেটা উপভোগ করতেই পারে ইসলামাবাদ।

'মাসুদ আজহারের অবস্থান ভালোভাবেই জানে পাকিস্তান'
কারণ তাতে বাস্তবটা বা সত্যিটা বদলে যাবে না। ঠিক যেমনভাবে এই সত্যিটাও বদলে যাবে না যে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে লাগাতার মদত জুগিয়ে যাচ্ছে অথবা জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারের মাথার দাম বাড়িয়ে স্রেফ নাটক করছে ইসলামাবাদ। রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চ থেকে চড়া সুরে আক্রমণ শানিয়ে ভারতীয় কূটনীতিবিদ বলেন যে পাকিস্তানের মিডিয়া যখন জইশ প্রধানের খোঁজ পেয়ে যাচ্ছে এবং উত্তর পাচ্ছে, তখন নিশ্চিতভাবে ইসলামাবাদও মাসুদের অবস্থানের বিষয়ে ভালোভাবে অবহিত। বিশ্ব ভুলে যায়নি যে ৯/১১ হামলার মূলচক্রী ওসামা বিন লাদেন কোন দেশে লুকিয়ে ছিল।
ধর্ম জেনে পহেলগাঁওয়ে হত্যা, মনে করালেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ
সেই রেশ ধরে ভারতীয় কূটনীতিবিদ স্মরণ করিয়ে দেন যে পহেলগাঁওয়ে সাধারণ পর্যটকদের ধর্ম জেনে-জেনে হত্যা করা হয়েছে। চালানো হয়েছে বর্বরতা। আর সেই আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসে মদত জুগিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান সরকার। তাঁর কথায়, 'যখন বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নিজেদের কার্যকলাপ চালিয়ে যায়, তখন আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি অর্থহীন হয়ে পড়ে এবং ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন।'
পাকিস্তানের ত্রাসের মাস সেপ্টেম্বর-অক্টোবর
আর রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারির সেই বক্তব্য যুক্ত হল ভারতের হাতে পাকিস্তানের অপদস্থ হওয়ার ঘটনার তালিকায়। এমনিতেই সেপ্টেম্বর-অক্টোবর খারাপ যায় ইসলামাবাদে। রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনের সময় নাটক করে পাকিস্তান। আর তার পালটা একেবারে কড়া ভাষায় জবাব দেন ভারতীয় কূটনীতিবিদরা।
এবারও সেই ধারায় ছেদ পড়েনি। এই রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে একেবারে তুলোধোনা করেন ভারতের কূটনীতিবদ পেটাল গেহলট। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি শাসনের থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে ভণ্ডসুলভ বয়ান শুনলাম, যাদের রাজধানীকে ঠিক এই মুহূর্তে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে নিজেদের জনগণের বিরুদ্ধেই।' আবার ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরকে খোঁচা দিতে এসে ‘জঙ্গি’ দেশ শুনে যেতে হয়েছে পাকিস্তানি সাংবাদিককে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


