AB de Villiers on Virat Kohli: বিরাট সত্যিই ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ ছিল, স্বীকার ডি'ভিলিয়ার্সের, বন্ধুত্ব নষ্ট হবে?
AB de Villiers on Virat Kohli: বিরাট কোহলিকে প্রাথমিকভাবে দেখে ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ মনে হত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার এবি ডি'ভিলিয়ার্সের। স্বীকার করে নিলেন নিজেই। তারপর বিরাটের বিষয়ে কী মনে হতে থাকল? জানালেন নিজেই।
AB de Villiers on Virat Kohli: বিরাট কোহলিকে অনেকেই প্রাথমিকভাবে দেখে ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ বলে মনে করতেন। মাঠের মধ্যে যেরকম আচরণ করতেন, তাতে ‘রংচটা’ বলে মনে হত বিরাটকে। এমনকী তাঁরও প্রাথমিকভাবে সেটাই মনে হয়েছিল বলে স্বীকার করে নিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার এবি ডি'ভিলিয়ার্স। যিনি এখন বিরাটের দুর্দান্ত বন্ধু। দু'জনে মাঠে একসঙ্গে অসংখ্য স্মরণীয় ইনিংস খেলেছেন। কিন্তু প্রথমেই সেই বন্ধুত্বের বীজের অঙ্কুরোদগম হয়নি।

ও ব্যাপারটার সঙ্গে একমত হবেন, জানালেন এবিডি
যে বিষয়টা প্রখর গুপ্তার পডকাস্টে জানিয়েছেন ডি'ভিলিয়ার্স। ওই পডকাস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন তারকার থেকে জানতে চাওয়া হয় যে প্রথমবার যখন বিরাটের সঙ্গে দেখা হয়েছিল, সেইসময় তাঁকে দেখে কী মনে হয়েছিল। তাঁকে দেখে কি ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ মনে হয়েছিল ডি'ভিলিয়ার্সের? তার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ আফ্রিকা তথা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) প্রাক্তন তারকা বলেন, ‘হ্যাঁ। আর মনে হয় যে সেই ব্যাপারটার সঙ্গে ও একমত হবে।’
‘ওকে দেখে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনে হত’, বললেন এবিডি
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে প্রাক্তন তারকা জানান, আসলে বিরাটের মধ্যে মারাত্মক আত্মবিশ্বাস ছিল। সেটা থেকেই মনে হত যে ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার হয়তো অহংকারী। এবিডির কথায়, ‘আত্মবিশ্বাস বেশি ছিল (বিরাটের)। আর বিরাট বরাবরই সেরকমভাবেই খেলে এসেছে। কখনও কখনও সেটার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই হয়েছিল। ওকে দেখে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনে হত।’
বিরাটের পরিবর্তন ও বিরাটকে বুঝতে পারা
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা আমার প্রথম ধারণা ছিল। আমি কথাটা সবসময় ঠাট্টার ছলেই বলে আসি। আমার মনে হয় যে ও আমার সঙ্গে একমত হবে। বিরাটের বয়স যখন ১৯, ২০, ২১ ছিল, তখন অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী তরুণ ক্রিকেটার ছিল। (অবশ্য) ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে সেটা দরকারও হয়। আপনাকে নিজের দক্ষতার উপরে ভরসা রাখতে হয়। আর সময়ের সঙ্গে (সেই আত্মবিশ্বাস) সামলানোর বিষয়টা আপনি শিখেই যাবেন।’
আর ঠিক সেভাবেই সেই ‘অহংকার’ ব্যাপারটা ধীরে-ধীরে চলে গিয়েছিল। বরং যত সাফল্য অর্জন করতে থাকেন, তত অমায়িক হয়ে উঠতে থাকেন বলে মনে করেন ডি'ভিলিয়ার্স। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন তারকার মতে, ‘বয়স বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে এবং ব্যক্তি ও ক্রিকেটার হিসেবে আরও বেশি স্থিতিশীল হয়ে ওঠার সঙ্গে-সঙ্গে সেই ব্যাপারটা ফিকে হয়ে গিয়েছিল। আমার মনে হয়, তরুণ বয়সে ওর অনেক কিছু প্রমাণ করার ছিল। সেই ব্যাপারটা (পরবর্তীতে) কমে গিয়েছিল। আর এর ফলে মানুষের সঙ্গে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়ার যে বিষয়টা ছিল, সেটাও বদলে গিয়েছিল।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


