Bangladesh import from China: বাংলাদেশকে প্যাঁচে পেয়ে চিন বেশি দর হাঁকলেও তা দিতে রাজি আছে বলে জানাল ঢাকা। সংবাদমাধ্যম যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন যে বর্তমানে তাঁদের দেশে গ্যাস এবং বিদ্যুতের সংকট চলছে। আর সেই পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি সমান এলএনজি টার্মিনাল আনার জন্য চিন যদি বেশি টাকা চায়, সেটা দিতেও ঢাকা রাজি আছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।
বেশি LNG এনেও লাভ হবে না বাংলাদেশের

তিনি জানিয়েছেন, ইচ্ছা থাকলেও বাংলাদেশ বেশি পরিমণে এলএনজি আমদানি করতে পারবে না। আবার লাভও নেই বেশি পরিমাণে এলএনজি আমদানি করেও। আসলে যে এলএনজি আনা হবে, সেটার রিগ্যাসিফিকেশনের প্রয়োজন আছে। কিন্তু বাংলাদেশের হাতে আপাতত যে দুটি ভাসমান মজুত ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) আছে, তার ক্ষমতা বেশি নয়। সেই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি এফএসআরইউ আনার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে।
বাধ্য হয়ে বেশি টাকা চাইলেও রাজি হবে বাংলাদেশ
সেই পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি চিনকে একটি এফএসআরইউয়ের বরাত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা। তিনি জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বছরদেড়েকের মধ্যে সেটি বাংলাদেশের হাতে চলে আসবে। আর দ্রুত এফএসআরইউ পাওয়ার জন্য চিন যদি বেশি টাকা হাঁকে, সেটা দিতে বাংলাদেশ তৈরি। কারণ বর্তমানে বাংলাদেশের সংকট সামলানোর উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারেকের তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।
'ঢাকা গুরুত্ব পায়, কিন্তু একদম লোডশেডিং বন্ধ হবে না এখনই'
{{/usCountry}}'ঢাকা গুরুত্ব পায়, কিন্তু একদম লোডশেডিং বন্ধ হবে না এখনই'
{{/usCountry}}সেই রেশ ধরে তিনি দাবি করেছেন, গ্যাসের সংকটের কারণেই বাংলাদেশে মূলত বিদ্যুতের সংকট হয়। ফলে গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলে বিদ্যুৎ সংকটের মুখে পড়তে হবে না। হবে না লোডশেডিং। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ায় সেখানে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে দেখা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। ঢাকা অর্থনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে কিছুটা অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু তা বলে ঢাকায় একদম লোডশেডিং হবে না, সেটাও নয়।