Telegram Channel used for Terrorism: নাম শুনলে মনে হবে যে কোনও ট্রাভেলের গ্রুপ অথবা কবিদের গ্রুপ। কিন্তু সেই টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমেই সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো হত। চলত মগজধোলাই। ছড়িয়ে দেওয়া হত জিহাদি সামগ্রী। পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং কেরলমের জঙ্গি নেটওয়ার্কের তদন্তে নেমে ‘পূর্বের আকাশ’ নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের হদিশ পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। যে টেলিগ্রাম চ্যানেলের সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা, তা বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ চালাত বলে সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বজবজ, ক্যানিং ও মঙ্গলকোট থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার

আর সেই বিষয়টি সামনে এসেছে জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এনআইএ ১৪ জন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করার পরে। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে দু'জন (সাহারুল হক পুরকাইত এবং শেখ জুম্মান হোসেন) দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজের বাসিন্দা। তাছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনারই ক্যানিংয়ের আবদুর রফিক এবং পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পিয়ার মহম্মদ শেখও ধরা পড়েছে এনআইএয়ের জালে।
UAPA-সহ একাধিক ধারা চাপানো হয়েছে
চারজনের বিরুদ্ধে দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ডাক, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্বকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়ার মতো অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। চাপানো হয়েছে বেআইনি কার্যকলাপ বিরোধী আইনের (ইউএপিএ) ধারাও। ইতিমধ্যে কলকাতায় ধৃতদের বিশেষ এনআইএ আদালতে পেশ করা হয়। পাঁচদিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ট্রানজিট রিমান্ডে গুয়াহাটিতে নিয়ে জেরা করে আরও খুঁটিনাটি জানতে চাওয়া হবে বলে সূত্রের খবর।
দর্জি ও ইমাম পরিচয় দিয়ে জঙ্গি নিয়োগ করত
{{/usCountry}}দর্জি ও ইমাম পরিচয় দিয়ে জঙ্গি নিয়োগ করত
{{/usCountry}}ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তে উঠে এসেছে যে ধৃতদের মধ্যে একজন নিজেকে দর্জি হিসেবে পরিচয় দিত। অপরজন নিজেকে ইমাম হিসেবে দাবি করত। বাস্তবে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত এবং ওই জামাত-উল-মুজাহিদিনের বাংলাদেশের সদস্য ইমাম মেহমুদ হাবিবুল্লার তৈরি করা সংগঠন ইমাম মেহমুদ খলিফার জন্য ‘সন্ত্রাসবাদী’ নিয়োগ করত তারা।
আরও পড়ুন: UPSC Success Story: ঠাকুরদা ছিলেন চম্বলের কুখ্যাত ডাকাত! আইআইটি-ইউপিএসসি পাস করে তাক লাগালেন নাতি
এনআইএ সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনের উগ্রবাদ ছড়াতে ওই টেলিগ্রাম চ্যানেল ব্যবহার করা হত। ধরা হত সম্ভাব্য 'টার্গেট'-দের। যাদের মগজধোলাই করে সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর ব্যবহারের সুযোগ থাকত।