...
...
Next Story

Bangladeshi woman arrested in India: স্বামীর মতোই দেখতে, ভারতে এসে শ্যামকে বিয়ে বাংলাদেশি বেগমের, মাছ খেতে ফেরে দেশেও

Bangladeshi woman arrested in India: স্বামীর মতোই দেখতে। ভারতে এসে শ্যামদাসকে বিয়ে বাংলাদেশি বেগমের। মাছ খেতে ফিরেছিল বাংলাদেশেও। সেই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে হরিদ্বার পুলিশ। ওই মহিলা বিজেপি-শাসিত উত্তরাখণ্ডেই ভুয়ো নথিপত্র বানিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছেয

Published on: Apr 10, 2026, 09:56:03 IST
Advertisement

Bangladeshi woman arrested in India: স্বামীর সঙ্গে ঝামেলার পরে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একজনের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। যে ব্যক্তিকে আবার স্বামীর মতোই দেখতে। তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর হতেই ২০২৩ সালের ২০ মার্চ ভারতে চলে আসেন। ৯০ দিনের ভিসা ভারতে এলেও তারপর থেকে আর বাংলাদেশে ফিরে যাননি। সেই মহিলাকে পাকড়াও করল হরিদ্বার পুলিশ। লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে ৪১ বছরের সাহেলা বেগম নামে ওই মহিলা ভারতীয় প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে করে নেন। ভুয়ো নথি তৈরি করে থাকতে শুরু করেন ভারতে। তাঁর প্রেমিক শ্যামদাস (৪৫) চার বছর ধরে হরিদ্বারে লিজে হোটেল চালাচ্ছেন।

প্রথমে দিল্লিতে, পরে হরিদ্বারে থাকতে শুরু করেছিল সাহেলা

বাংলাদেশি মহিলা সাহেলা বেগম ও তাঁর ভারতীয় স্বামী। (ছবি সৌজন্যে লাইভ হিন্দুস্তান)
বাংলাদেশি মহিলা সাহেলা বেগম ও তাঁর ভারতীয় স্বামী। (ছবি সৌজন্যে লাইভ হিন্দুস্তান)

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার জেলার জ্বালাপুর এলাকায় বুধবার 'অপারেশন প্রহার'-এর সময় এই ঘটনাটি সামনে আসে। পুলিশি জেরায় বাংলাদেশি মহিলা পরিচয় গোপন করে থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: Owaisi breaks alliance with Humayun: '১,০০০ কোটির ডিলের’ গুঁতো, হুমায়ুনের সঙ্গে জোট ভাঙল ওয়াইসির মিম, বলল ‘মুসলিম…..’

বৃহস্পতিবার এসএসপি নবনীত সিং ভুল্লার জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহেলার পরিচয় হয় ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরের বাসিন্দা শ্যামদাসের সঙ্গে। তারপর তিনি ভিসা নিয়ে ভারতে আসেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও তিনি ফিরে যাননি। বরং প্রথমে দিল্লি ও পরে হরিদ্বারে থাকতে শুরু করেন।

আরও পড়ুন: Nobel demand of Pak Army Chief-PM: আসিম মুনির ও শেহবাজ শরিফকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হোক, দাবি উঠল পাকিস্তানে

সাহেলা হয়ে গিয়েছিল 'সুইটি'

আরও পড়ুন: Pakistan vs Israel: ‘নরকে পুড়ে যাক…..’ ইজরায়েলকে 'ক্যানসার দেশ' বলল পাক, পালটা জুটল ‘জঙ্গি’ বার্তা

ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৪ মার্চ বাংলাদেশি মহিলার পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছিল। তার ভিত্তিতে দু'জনে রেজিস্ট্রি করেন। আধার কার্ড ও বিয়ের সার্টিফিকেট হরিদ্বার থেকে তৈরি করা হয়েছিল। শ্যামদাস জানিয়েছেন যে সিএসসির সহায়তায় তৈরি করা হয়েছিল আধার কার্ড।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe