Nobel demand of Pak Army Chief-PM: আসিম মুনির ও শেহবাজ শরিফকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হোক, দাবি উঠল পাকিস্তানে

Nobel demand of Pak Army Chief and Prime Minister: পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া উচিত, দাবি উঠল পাকিস্তানের অন্দরে। যা নিয়ে হাসাহাসি শুরু হয়েছে।

Published on: Apr 9, 2026, 14:25:03 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Nobel demand of Pak Army Chief and Prime Minister: পাকিস্তান বর্তমানে এক চরম অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তারইমধ্যে দেশের অভ্যন্তরে এক অদ্ভুত ও চমকপ্রদ দাবি দানা বাঁধতে শুরু করেছে। পাকিস্তানের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী মহল এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশ দাবি তুলেছে যে, দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া উচিত।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে রয়টার্স)
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে রয়টার্স)

কেন এই আকস্মিক দাবি?

ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে পাকিস্তান। মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলোর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে পাক সেনাপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী কূটনৈতিক তৎপরতা না থাকলে এই অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাত হতে পারত। ফেডারেশন অফ পাকিস্তান চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মতো বড় সংগঠনগুলো এই প্রচারণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

পাকিস্তানি ব্যবসায়ী মহলের যুক্তি

১) ব্যবসায়ী মহলের দাবি, আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে এবং উত্তেজনা কমাতে কাজ করছে।

২) ব্যবসায়ী মহলের দাবি, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে পর্দার আড়ালে সমঝোতা করতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ও সরকার যে ভূমিকা নিয়েছে, তা বিশ্বশান্তির জন্য অপরিহার্য ছিল বলে তারা দাবি করছেন।

আরও পড়ুন: Congress leader says Pakistan Biswa Guru: পাকিস্তান 'বিশ্বগুরু' ও 'গ্লোবাল লিডার' হয়ে উঠেছে, বিস্ফোরক কংগ্রেস নেতা

সোশ্যাল মিডিয়া ও পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া

পাকিস্তানের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে এই দাবির স্বপক্ষে জোর প্রচার চালানো হচ্ছে। তাদের দাবি, যদি অতীতে বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানরা শান্তি স্থাপনের জন্য নোবেল পেতে পারেন, তবে মুনির ও শরিফ কেন নয়? বিশেষ করে 'গ্লোবাল পিস' বা বিশ্বশান্তি রক্ষায় পাকিস্তানের অবদানকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার এটিই সেরা সময় বলে তারা মনে করছেন।

আরও পড়ুন: Israel envoy on Pakistan: পাকিস্তান ভরসার যোগ্য নয়, বিস্ফোরক দাবি ইজরায়েলি দূতের, বললেন ‘আমেরিকা হয়তো.…’

সমালোচনা ও ট্রোলিং

তবে এই দাবি ওঠার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে এবং খোদ পাকিস্তানের ভিতরেই শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা ও হাসাহাসি। সমালোচকদের মতে, পাকিস্তান নিজেই যেখানে অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ, সন্ত্রাসবাদ এবং চরম মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে, সেখানে দেশের শীর্ষ নেতাদের নোবেল পুরস্কারের দাবি করাটা হাস্যকর।

আরও পড়ুন: PPF Rules: ১৫ বছর নয়, আরও বাড়ানো যায় PPF-র মেয়াদ, কীভাবে করবেন? আয়করেও বিশাল সুবিধা

অনেকেই বলছেন, পাকিস্তান বর্তমানে আইএমএফের ঋণের ওপর টিকে আছে। দেশের সাধারণ মানুষ যখন আটার লাইনে দাঁড়িয়ে প্রাণ হারাচ্ছে, তখন নেতাদের জন্য নোবেল দাবি করাটা বাস্তববিবর্জিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা একে ‘চাটুকারিতার চরম সীমা’ বলে অভিহিত করেছেন।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More