Pakistan bowler no-ball row: ‘ক্রিকেটের ইতিহাসে সবথেকে বড় নো-বল’, পাকিস্তানি বোলারের কীর্তিতে হতবাক দুনিয়া
পাকিস্তান ক্রিকেট এবং ‘নো-বল’ বিতর্ক - এই দুইয়ের সম্পর্ক যেন অবিচ্ছেদ্য। ২০১০ সালে লর্ডস টেস্টে মহম্মদ আমিরের সেই কুখ্যাত নো-বল এখনো ক্রিকেটপ্রেমীদের স্মৃতিতে টাটকা।
পাকিস্তান ক্রিকেট এবং ‘নো-বল’ বিতর্ক - এই দুইয়ের সম্পর্ক যেন অবিচ্ছেদ্য। ২০১০ সালে লর্ডস টেস্টে মহম্মদ আমিরের সেই কুখ্যাত নো-বল এখনো ক্রিকেটপ্রেমীদের স্মৃতিতে টাটকা। ঠিক ১৬ বছর পর আরও একটি নো-বল নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। আলোচনায় উঠে এসেছে তরুণ ফাস্ট বোলার আসাদ আখতারের নাম। ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপে তাঁর করা একটি ‘বিশাল’ নো-বল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ঘটনাটি কী ছিল?
রিপোর্ট অনুযায়ী, গত শনিবার পেশোয়ারের ইমরান খান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে করাচি ব্লুজ বনাম লাহোর ব্লুজের মধ্যে একটি ম্যাচ চলছিল। করাচি ব্লুজের হয়ে বোলিং করতে আসেন ডান-হাতি পেসার আসাদ। নবম ওভারে যখন লাহোর ব্লুজের ব্যাটাররা ইনিংস গড়ার চেষ্টা করছিলেন, তখনই আসাদ এমন একটি নো-বল করেন, যা দেখে সকলেই হতবাক হয়ে যান।
আরও পড়ুন: Cricket Unique Record: ৪২ ছক্কায় ১৩৭ বলে অপরাজিত ৪০২ রান- বাবার সঙ্গে ৫৯০ রানের জুটি গড়লেন ছেলে!
রিপ্লেতে দেখা যায়, আসাদ আখতারের সামনের পা পপিং ক্রিজ থেকে এতটাই দূরে ছিল যে, তার পেছনের পা'টিও প্রায় লাইনের কাছে চলে এসেছিল। আধুনিক ক্রিকেটে যেখানে বোলাররা সেন্টিমিটারের ব্যবধানে নো-বল করে থাকেন, সেখানে এক বিশাল এই ব্যবধান দেখে অনেকেই । ওই একটি ওভারে আসাদ দুটি নো-বল এবং দুটি ওয়াইডসহ মোট ২১ রান খরচ করেন।
সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়
সেই ভিডিয়োয় ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ একে কেবল 'ভুল' হিসেবে মানতে নারাজ। অনেকের মতে, একজন পেশাদার বোলার অনিচ্ছাকৃতভাবে এত বড় নো-বল করতে পারেন না। এক্স এবং রেডিটে অনেকেই সরাসরি একে 'স্পট ফিক্সিং'-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। কেউ কেউ আবার উপহাস করে লিখেছেন, 'আসাদ হয়তো লাইনের বদলে সীমানা দড়ি খুঁজছিলেন।' কেউ-কেউ বলছেন, 'ক্রিকেটের ইতিহাসে সবথেকে বড় নো-বল।’
আমিরের সঙ্গে তুলনা
২০১০ সালে আমির যখন লর্ডসে নো-বল করেছিলেন, সেটার সঙ্গে তুলনা উঠে আসছে আসাদের এই ডেলিভারিটি। যদিও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এখনও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে এমন পারফরম্যান্স বোর্ডকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


