Bihar Sheetla Temple stampede death: শীতলা মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মৃত ৮, সকলেই মহিলা, আহত ১২, উৎসবে পরিণত হল বিষাদে
পুজো দিতে গিয়েই বড় বিপর্যয়! বিহারের নালন্দায় শীতলা মাতা মন্দিরে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন একাধিক মহিলা। ঠিক কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা? প্রশাসনের গাফিলতি নাকি অন্য কিছু?
পবিত্র উৎসবে আনন্দ বদলে গেল বিষাদে। বিহারের নালন্দা জেলায় অবস্থিত বিখ্যাত শীতলা মাতা মন্দিরে পুজো দেওয়ার সময় পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটল। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে কমপক্ষে আটজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে যা খবর, তাতে মৃতরা সকলেই মহিলা। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২ জন পুণ্যার্থী। এই ঘটনায় মন্দির চত্বরে চরম বিশৃঙ্খলা ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।

ঘটনার সূত্রপাত ও বিশৃঙ্খলা
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ সকাল থেকেই নালন্দার এই প্রাচীন শীতলা মাতা মন্দিরে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। বিশেষ তিথি উপলক্ষে আশপাশের জেলা থেকেও হাজার-হাজার মানুষ পুজো দিতে আসেন। ভিড় সামলাতে পুলিশ ও মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে ব্যারিকেড দেওয়া হলেও একসময় পুণ্যার্থীদের চাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অভিযোগ উঠেছে, মন্দিরের একটি সংকীর্ণ গেট দিয়ে অতিরিক্ত মানুষ প্রবেশের চেষ্টা করায় ঠেলাঠেলি শুরু হয়। আর সেই সময়ই ঘটে এই মর্মান্তিক বিপত্তি।
আহত ও নিহতদের উদ্ধারকার্য
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভিড়ের চাপে কয়েকজন মহিলা মাটিতে পড়ে যান। তারপর পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়। চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজে হাত লাগান। আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
প্রশাসনের ভূমিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
এই ঘটনার পর মন্দির চত্বরে ব্যাপক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তবে এত বড় উৎসবে কেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের সুব্যবস্থা ছিল না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভিড়ের আগাম অনুমান করা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


