Captain Smit Machchhar or Nana Patekar: ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর নাকি নানা পাটেকর- কার নামে হবে ব্রিজের নামকরণ? শুরু ঝামেলা
Captain Smit Machchhar or Nana Patekar: নবনির্মিত ব্রিজের নামকরণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হল। ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের নামে ব্রিজের নামকরণ করা হবে নাকি সদ্য প্রয়াত অভিনেতা নানা পাটেকরের নামে সেতুর নাম রাখা হবে, তা নিয়ে চলছে সংঘাত।
Captain Smit Machchhar or Nana Patekar: স্মিত মচ্ছর নাকি নানা পাটেকর - কার নামে হবে নয়া ব্রিজের নামকরণ? তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হল মুম্বইয়ে। বিজেপি বিধায়ক পরাগ শাহ দাবি তুলেছেন, ১৭৪ জন মানুষের প্রাণ বাঁচানো অভিশপ্ত ফ্লাইদুবাইয়ের পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিতের নামে হোক নয়া ব্রিজের নামকরণ। আবার সম্প্রতি নয়া ব্রিজে শিবসেনার (উদ্ধব ঠাকরে) তরফে একটি ব্যানার লাগিয়ে দাবি করা হয়েছে যে প্রয়াত অভিনেতার নামেই রাখতে হবে ব্রিজের নাম। আর পুরো বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বিলম্বের পরে তৈরি হয়েছে সেই নয়া ব্রিজ
সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে ব্রিজের নামকরণ নিয়ে এত বিতর্ক, সেটির কাজ শেষ করতে অনেকটাই দেরি হয়েছে। মুম্বইয়ের বিদ্যাবিহার স্টেশনের পূর্বদিকে রামচন্দ্র চেম্বুরকর মার্গকে ঘাটকোপারের পশ্চিম দিকের লাল বাহাদুর শাস্ত্রী মার্গের সঙ্গে যুক্ত করেছে ৬৫০ মিটারের দু'লেনের সেতু।
বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের তথ্য অনুযায়ী, ওই ব্রিজের ১০০ মিটার অংশ পড়ছে রেললাইনের উপরে। ২২০ মিটারের অ্যাপ্রোচ রোড আছে পূর্ব দিকে। পশ্চিম দিকে অ্যাপ্রোচ রোডের দৈর্ঘ্য হচ্ছে ৩৩০ মিটার। ওই প্রকল্পের মধ্যে স্টেশনের ফুটপাত, নতুন করে টিকিট কাউন্টার তৈরি, নতুন সিঁড়ি তৈরি, নতুন করে স্টেশন মাস্টার্স অফিস তৈরির বিষয়টিও যুক্ত ছিল।
বিজেপি বিধায়কের তদ্বির, পালটা উদ্ধব শিবির
তবে সেই ব্রিজ উদ্বোধন হওয়ার আগে নাম নিয়েই যত জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্যাপ্টেন স্মিথের নামে ব্রিজের নামকরণ করার জন্য পুরনিগম কর্তৃপক্ষের কাছে সওয়াল করেন বিধায়ক পরাগ। সেই মর্মে চিঠিও লেখেন। কিন্তু এবার ব্রিজের গায়ে সেতুর নাম 'পদ্মশ্রী শ্রী নানা পাটেকর সেতু' রাখার দাবি তুলেছে ব্যানার লাগিয়ে ফেলেছেন উদ্ধব শিবিরের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা মুম্বইয়ের মেয়র ঋতু তাওড়ের সঙ্গে দেখা করে অভিনেতার নামে ব্রিজের নাম রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন।
উদ্ধব শিবির ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করছে, উঠল অভিযোগ
যদিও বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মুম্বইয়ের মেয়রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি বলে পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের গণেশ খানকর দাবি করেছেন যে কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করছে উদ্ধব শিবির। তাঁর কথায়, ‘দেশের অন্যতম প্রতিভাবান অভিনেতা ছিলেন নানা পাটেকর। আমার মতে, ব্রিজের পরিবর্তে তাঁর নামে একটি বড় থিয়েটার বা থিয়েটার কমপ্লেক্সের নামকরণ করা হলে বেশি ভালো হবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


