...
...
Next Story

Cardiovascular Disease Detection: কিছু বোঝার আগেই সব শেষ! হৃদরোগের নীরব ঝুঁকি কমাতে সতর্ক হওয়ার টিপস চিকিৎসকদের

Cardiovascular Disease Detection: মানুষের হৃদপিণ্ড প্রতিদিন অবিরাম কাজ করে চলেও আমাদের শরীরের সবচেয়ে বড় ধমনী- আওরটায় এমন কিছু নীরব শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে, যা মারাত্মক রূপ না নেওয়া পর্যন্ত বুঝতেই পারা যায় না। অর্থাৎ কিছু বোঝার আগেই সবকিছু শেষ হয়ে যায়।

Published on: Aug 13, 2026, 18:32:00 IST
Advertisement

Cardiovascular Disease Detection: মানুষের হৃদপিণ্ড প্রতিদিন অবিরাম কাজ করে চলেও আমাদের শরীরের সবচেয়ে বড় ধমনী- আওরটায় এমন কিছু নীরব শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে, যা মারাত্মক রূপ না নেওয়া পর্যন্ত বুঝতেই পারা যায় না। বর্তমানে ভারতে হৃদরোগের ভয়াবহ বিস্তারের কথা মাথায় রেখে প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয়, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং বিশেষায়িত চিকিৎসাব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। সম্প্রতি মণিপাল ব্রডওয়ে আওরটা ক্লিনিকের উদ্বোধনের সময় সেই বিষয়টি নিয়ে তাঁরা সাধারণ মানুষকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

উচ্চ রক্তচাপ থেকে কোলেস্টেরল- ঝুঁকি কম নয়

হৃদরোগ নিয়ে সচেতনতার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে।
হৃদরোগ নিয়ে সচেতনতার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান অরিজিৎ ঘোষ বলেছেন, 'ভারতে হৃদরোগের যে ধারা রয়েছে, তা কমাতে প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার কোনও বিকল্প নেই। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল এবং জীবনযাত্রার ধরণ কীভাবে রোগীর হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, তা অনুধাবন করা খুব প্রয়োজন। প্রিভেন্টিভ কার্ডিওলজির মাধ্যমে আমরা শুরুতেই এই ঝুঁকিগুলি চিহ্নিত করতে চাই, যাতে সঠিক জীবনধারা এবং উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে হৃদরোগ বৃদ্ধি পাওয়া আটকানো যায়।'

আরও পড়ুন: New Garia to Salt Lake Sector V Metro: দেড় ঘণ্টার রাস্তা যেতে লাগবে ৩৫ মিনিট- ২০২৬-র মধ্যে কলকাতার এই রুটে চলবে মেট্রো

হৃদরোগে মত্যু এবং হাইপার টেনশন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভারতে অসংক্রামক ব্যাধিতে যত মানুষের মৃত্যু হয়, তার মধ্যে প্রায় ২৭ শতাংশেই মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ। শুধু তাই নয়, ৪০ বছর থেকে ৬৯ বছরের মানুষের মধ্যে মোট মৃত্যুর ৪৫ শতাংশই ঘটে এই হৃদরোগের কারণে। হৃদরোগের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কারণগুলির মধ্যে অন্যতম হল উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন। ভারতে প্রায় ২২ কোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হল, এর মধ্যে মাত্র ১২ শতাংশের মানুষের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এই পরিসংখ্যানগুলি স্পষ্ট করে দেয় যে, কেবল রোগ বেড়ে যাওয়ার পর চিকিৎসা করাই যথেষ্ট নয়; বরং রোগ প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক অবস্থায় হৃদরোগ শনাক্ত করার ওপর জোর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সেই রেশ ধরে মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ের কার্ডিওলজি কনসালট্যান্ট অনিন্দ্য সরকার বলেছেন, ‘হার্ট ফেলিয়ারের চিকিৎসায় এককালীন চিকিৎসা যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন ও সামগ্রিক দেখভাল।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe