Career Success Story: মাঝপথে IIT দিল্লি ছেড়ে দেন, মোটে ১৯ বছরেই মাইক্রোসফটে চাকরি পেলেন আশিস! কীভাবে?
Career Success Story: আইআইটি দিল্লিতে পড়াশোনা করতেন। যে প্রতিষ্ঠান এখন ভারতের সেরা। সেখান থেকে মাঝপথে ছেড়ে দিয়ে মাত্র ১৯ বছরেই মাইক্রোসফটে চাকরি পেলেন আশিস কুমার বর্মা। কীভাবে সেই সাফল্য অর্জন করলেন?
Career Success Story: আইআইটির মতো প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। আবার সেটা যদি আইআইটি দিল্লি, আইআইটি দিল্লি, আইআইটি খড়্গপুরের মতো প্রতিষ্ঠান হয়, তাহলে তো কাজটা আরও কঠিন হয়। আইআইটিতে পড়ার সেই স্বপ্নপূরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে থাকেন পরীক্ষার্থীরা। ঠিক সেভাবেই আইআইটি দিল্লিতে সুযোগ পেয়েছিলেন আশিস কুমার বর্মা। কিন্তু মাঝপথেই আইআইটি দিল্লি ছেড়ে দেন। আর তিনিই মাত্র ১৯ বছরে মাইক্রোসফটে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম লিঙ্কডইনে নিজের এই অবিশ্বাস্য যাত্রার গল্প শেয়ার করেছেন আশিস, যা রাতারাতি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

মোদীকে নিজের তৈরি অ্যাপ দেখানোর সুযোগ
ছোটোবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আশিসের বিশেষ ভালোবাসা ও আকর্ষণ ছিল। মাত্র ১৮ বছরেই বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ 'গুগল ডেভেলপার এক্সপার্ট' (Google Developer Expert) হন। এখানেই শেষ নয়, জাপানের অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী 'সাকুরা সায়েন্স প্রোগ্রাম'-এর অধীনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রিসার্চ প্রজেক্টে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এমনকী নিজের তৈরি একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও সরাসরি দেখানোর সুযোগ পেয়েছিলেন।
কেন ছাড়লেন IIT দিল্লির মতো প্রতিষ্ঠান?
আশিস তাঁর লিঙ্কডইন পোস্টে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে এর কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, আইআইটি দিল্লিতে পা রাখার পর তাঁর মনে হয়েছিল সেখানকার চিরাচরিত শিক্ষাপদ্ধতি তাঁর কাজের গতিকে ধীর করে দিচ্ছে। তাত্ত্বিক বা থিওরিটিক্যাল পড়াশোনায় সময় নষ্ট করার থেকে বাস্তব পৃথিবীর রিয়েল-টাইম প্রযুক্তির সমস্যা সমাধান এবং নতুন কিছু তৈরি করার প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল অনেক বেশি।
তাঁর মতে, আজকের ইন্টারনেট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর যুগে জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জনের জন্য কোনও বড় কলেজের প্রথাগত ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না। যদি কোনও মানুষের কাছে সঠিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং শক্তিশালী কাজের পোর্টফোলিও থাকে, তবে বড় বড় টেক কোম্পানিগুলো ডিগ্রির তোয়াক্কা না করে সেই প্রতিভাকে মূল্যায়ন করতে দ্বিধা করে না।
মাইক্রোসফটকে বেছে নেওয়ার মূল কারণ
টেক দুনিয়ায় অন্যান্য অনেক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আশিস মাইক্রোসফটকে বেছে নিয়েছেন একটি বিশেষ কারণে। তিনি সি-শার্প এবং টাইপস্ক্রিপ্ট (TypeScript)-এর মতো বিশ্বখ্যাত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরি করা ইঞ্জিনিয়ারদের সান্নিধ্যে এসে সরাসরি কাজ শিখতে চেয়েছিলেন। সেইসঙ্গে মাইক্রোসফট তাদের কর্মীদের নতুন-নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেয় বলে জানিয়েছেন আশিস।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


