ভারত কি পাকিস্তানের পরমাণু ‘হাব’ কিরানা হিলসে আক্রমণ চালিয়েছে? অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বায়ুসেনার তৎকালীন ডিরেক্টর জেনারেল অফ এয়ার অপারেশনস একে ভারতীকে সেই প্রশ্নটা করার পরে তাঁর মুখে যে একটা হালকা হাসির রেশ দেখা গিয়েছিল, তা নিয়ে কম জল্পনা হয়নি। আর এবার ভারতের প্রাক্তন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান জানালেন যে কিরানা হিলসে সত্যিই আছড়ে পড়েছিল ভারতীয় ড্রোন (লয়টারিং অ্যামিউনেশন- ড্রোন ও তাতে মিসাইল থাকে, নির্দিষ্ট টার্গেট না পাওয়া পর্যন্ত ঘুরে বেড়ায়)। তবে সেটা ইচ্ছাকৃতভাবে নয়। অনিচ্ছাকৃতভাবেই কিরানা হিলসে একটি ড্রোন আছড়ে পড়েছিল বলে জানালেন ভারতের প্রাক্তন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ।
'অপারেশন সিঁদুরের সাংবাদিক বৈঠকে ঠিকই বলা হয়েছিল'

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার নয়াদিল্লির বিবেকানন্দ সেন্টারে একটি অনুষ্ঠানে ভারতের প্রাক্তন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বলেন যে 'ভারতী সঠিকভাবেই বলেছিলেন যে আমরা কিরানা হিলসে আক্রমণ করিনি।' আর ‘ভারতী’ হলেন অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় বায়ুসেনার ডিরেক্টর জেনারেল অফ এয়ার অপারেশনস একে ভারতী। যিনি অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বায়ুসেনার হয়ে সাংবাদিক বৈঠক করতেন।
কীভাবে কিরানা হিলসে আছড়ে পড়ে ভারতীয় ড্রোন?
আর কিরানা হিলসের সেই কাহিনীর বর্ণনা করে ভারতের প্রাক্তন চিফ অফ ডিফেন্স বলেন, ‘ওই হামলার আগে আমরা সারগোদা এবং সারগোদা থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত কিরানা হিলস এলাকায় প্রচুর পরিমাণে লয়টারিং অ্যামিউনেশন পাঠিয়েছিলাম। এই ধরনের গোলাবারুদ মূলত সারগোদা ও এর আশপাশের এলাকায় থাকা রেডারগুলির সন্ধানে আকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এগুলির একটি নির্দিষ্ট কার্যকাল থাকে। এটি প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আকাশে চক্কর দিতে পারে; যদি এই সময়ের মধ্যে কোনও লক্ষ্যবস্তু খুঁজে না পায়, তবে এটি কোনও এক জায়গায় আঘাত হানে। সেটা নিশ্চয়ই হয়েছিল এবং এটি সম্ভবত ওই পাহাড়গুলোর কোনও একটিতে গিয়ে আঘাত করেছিল।’
খারাপ আবহাওয়ায় স্কার্দু বাতিল, ছিন্নভিন্ন হয়েছিল ভোলারি
{{/usCountry}}খারাপ আবহাওয়ায় স্কার্দু বাতিল, ছিন্নভিন্ন হয়েছিল ভোলারি
{{/usCountry}}সেই রেশ ধরে তিনি আরও জানিয়েছেন, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের স্কার্দুতে আক্রমণের জন্য ভারতীয় বায়ুসেনাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছিল খারাপ আবহাওয়ার কারণে। পরিবর্তে ভোলারিতে আক্রমণ চালানো হয়েছিল। আর ভারতের আক্রমণের পরে ভোলারির হ্যাঙ্গারের ভয়াবহ ছবিটা দেখেছিল পুরো বিশ্ব।