Chinese Missile Latest Update: দু'হাজার কিলোমিটার দূরেও আকাশে থাকা বিমানে হামলা চালাতে পারবে - চিন এমনই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে বলে দাবি করা হল রিপোর্টে। সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিএফ-১৭ ক্ষেপণাস্ত্র থেকে উৎক্ষেপিত একটি হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকেল প্রায় ১,৫০০ মাইল (২,৪১৪ কিলোমিটার) পথ পাড়ি দিতে সক্ষম। অর্থাৎ চিন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি গুয়ামের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারবে। আবার ডিএফ-২৭ ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ৫,০০০ মাইল। তার ফলে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জও চলে আসবে চিনের হাতের মধ্যে।
ইরান যুদ্ধের পরে আমেরিকা এমনিতেই ধুঁকছে
আর এমন একটা সময় সেই ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত রিপোর্ট সামনে এসেছে, যখন ইরানের সঙ্গে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধের জেরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার অস্ত্রের জোগান নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে।
লড়াইয়ের ছবিটাই পালটে দিতে পারে
ওই সংবাদসংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিনের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালে আমেরিকার যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকির হয়ে দাঁড়াতে পারে এই নয়া ক্ষেপণান্ত্র। ট্যাঙ্কার, নিয়ন্ত্রণকারী বিমান এবং ‘ই-৪বি নাইটওয়াচ’-র মতো উড়ন্ত কমান্ড পোস্টের মতো সহায়তা প্রদানকারী বিমানগুলি সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্র থেকে অনেক দূরে থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। কিন্তু নয়া ক্ষেপণাস্ত্রের ফলে চিনের হাতের মুঠোয় সেগুলিও চলে আসতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।
কেন DF-17 মিসাইল এত বিপজ্জনক?
{{/usCountry}}কেন DF-17 মিসাইল এত বিপজ্জনক?
{{/usCountry}}এমনিতে চিনা বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, ডং ফেং-১৭ হল চিনের তৈরি একটি মাঝারি-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। যা প্রচলিত ব্যালিস্টিক রি-এন্ট্রি ভেহিকলের পরিবর্তে একটি হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকল বহন করে। প্রথাগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলে। কিন্তু ডিএফ-১৭ 'গ্লাইড ভেহিকেল'-কে প্রথমে অনেকটা উঁচুতে নিয়ে যায়। এরপর সেটি মূল ক্ষেপণাস্ত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে হাইপারসনিক গতিতে (অর্থাৎ শব্দের গতির চেয়ে পাঁচ গুণ বা 'ম্যাক ৫'-এর বেশি গতিতে) ছুটে যায়। আর এমনভাবে বাঁক যায়, যাতে শত্রুপক্ষের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধরতে না পারে।
আর সেই গতি ও লাগাতার দিক পরিবর্তনের ক্ষমতার কারণেই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মাধ্যমে ওই মিসাইলকে শনাক্ত, অনুসরণ ও প্রতিহত করা বেশ কঠিন হয়ে ওঠে বলে চিনা বিশেষজ্ঞ মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে। ওই মহলের দাবি, ডিএফ-১৭ হলি চিনের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যা আধুনিক আকাশ-প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের রূপ বদলে দিতে পারে বলে বেজিংয়ের তরফে দাবি করা হয়েছে।