Doval at India-China Meeting: ভারত-চিন সীমান্ত বরাবর কীভাবে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখা যায়? তা নিয়ে আলোচনা হল ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের মধ্যে। ব্রিকস সম্মেলনের জন্য চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের ভারত সফরের কয়েকদিন আগে দু'দেশের বিশেষ প্রতিনিধিদের বৈঠকের পরে বেজিংয়ে ভারতের দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছে, ‘তাঁরা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ, সীমান্ত এলাকায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধনের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতার ক্ষেত্রে যে কার্যক্রম চলছে, তা অব্যাহত রাখার বিষয়েও আলোচনা করেন।’
ঘুরিয়ে অরুণাচল নিয়ে বার্তা ডোভালের

আর মঙ্গলবারের বৈঠকের শুরুতেই সেই সীমান্তের বিষয়ের উপরে সবথেকে বেশি গুরুত্ব আরোপ করেন ডোভাল। ভারত ও চিনের সম্পর্ক যে স্বাভাবিক আছে, সেটা মূলত সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখারই প্রত্যক্ষ ফল। সেই রেশ ধরে ঘুরিয়ে অরুণাচল প্রদেশ নিয়েও বার্তা দেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। ভারতের যে অঞ্চলকে দক্ষিণ তিব্বত হিসেবে উল্লেখ করে আসে চিন।
কৈলাস-মানস সরোবর নিয়ে বার্তা ডোভালের
ডোভাল বলে দেন, ‘সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে আমারা যে কাজ করছি, তা কীভাবে আরও কার্যকরভাবে জোরদার ও সুসংহত করা যায়, তা নিয়ে আজ আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নাথু লা দিয়ে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার সফল আয়োজন এবং তিনটি গিরিপথ দিয়েই আমাদের ঐতিহ্যবাহী সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু হওয়ার ফলে আমাদের জনগণ অত্যন্ত উপকৃত হয়েছেন। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মানুষ লাভবান হয়েছেন।’
ভালো প্রতিবেশী হয়ে থাকার বার্তা চিনের
{{/usCountry}}ভালো প্রতিবেশী হয়ে থাকার বার্তা চিনের
{{/usCountry}}আবার চিনের বিদেশমন্ত্রী দাবি করেন, ভারত এবং চিনের সম্পর্ক দ্বিপাক্ষিক গণ্ডি ছাড়িয়ে বৈশ্বিক ও কৌশলগত গুরুত্ব লাভ করেছে। তাঁর কথায়, ‘দু'পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো, পারস্পরিক বিশ্বাস বৃদ্ধি করা, বিপত্তি দূর করা এবং বাধা অতিক্রম করা জরুরি। আমাদের এমন ভালো বন্ধু হতে হবে, যারা সুসম্পর্ক বজায় রাখে এবং এমন ভালো প্রতিবেশী হতে হবে, যারা একে অপরের সাফল্যে অবদান রাখে।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি ও সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে যথাযথভাবে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে উভয়পক্ষের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার নিয়ে আপনার সঙ্গে মতবিনিময় অব্যাহত রাখার বিষয়ে আমি আশাবাদী। এর মাধ্যমে কেবল সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতাই বজায় থাকবে না, বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।’