CPIM Performance in Rajasthan Civic Poll: বাংলায় কী হবে, সেটা আগামিদিনে বোঝা যাবে। কিন্তু রাজস্থানের পুরভোটে শাসক দল বিজেপির বিকল্প বা সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেদের জায়গা কিছুটা মজবুত করল সিপিআইএম। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজস্থানে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ আরও অন্ধকার করে দিয়ে একটি করে পুরসভা জিতে নিয়েছে আম আদমি পার্টি (আপ) এবং সিপিআইএম। রাজস্থানে একেবারে যৎসামান্য উপস্থিতি সত্ত্বেও বারান পুরসভা দখল করে নিয়েছে আপ। আর বিকানের জেলার নোখা নগরপালিকায় লাল ঝাণ্ডা উড়েছে। যা দেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওই ফলাফল দেখে স্পষ্ট যে বিজেপির মূল প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে পারেনি কংগ্রেস।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নোখার ফলাফল সিপিআইএমের জন্য বড়সড় ‘বুস্টার’ হয়ে উঠতে পারে। স্থানীয় স্তরের সেই জয় থেকে ইঙ্গিত মিলছে যে রাজস্থানের একাংশে বামেদের জন্য রাস্তা খুলছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক কিষান পারেখ দাবি করেছেন যে বিজেপির বিরুদ্ধে মানুষের রাগ এবং পুর ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে সিপিআইএমের লাগাতার প্রচারের কারণেই এই সাফল্য এসেছে।
সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, বিজেপির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মনে প্রবল ক্ষোভ জন্মেছে। কিন্তু এখানে কংগ্রেসের কোনও উপস্থিতি নেই। সেই পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে সিপিআইএমকে বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছেন মানুষ। তাঁরা জানেন, আর্থিক সমস্যা এবং সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে কোনও দল যদি লড়াই করতে পারে, সেটা হল সিপিআইএম।
সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজস্থানের পুরভোটে মোট ১৯২ আসনে সিপিআইএম প্রার্থী দিয়েছিল। জিতেছে ৪০টির মতো আসনে। সিপিআইএমের দাবি, কয়েকটি পুরসভায় খাতা খোলাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ সেখান থেকেই ধাপে-ধাপে এগিয়ে যাওয়া যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছে সিপিআইএম। যে সিপিআইএম আপাতত ভারতের কোনও রাজ্যে ক্ষমতায় নেই। পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরায় ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। কেরলমও হাত থেকে বেরিয়ে গিয়েছে কয়েক মাস আগেই।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।