১০ নভেম্বরের রাতে দিল্লিতে বিস্ফোরণ ঘিরে গোটা রাজধানীতে রয়েছে সতর্কতা। এদিকে, লালকেল্লার সামনে এই গাড়ি বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্য়া ৮। আহত ৬। ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে রয়েছে বহু দেহের অংশ। এই নারকীয় কাণ্ডের নেপথ্যে কে বা কারা? এর নেপথ্যেও কি সন্ত্রাসবাদীরা? এই প্রশ্ন ক্রমেই উঠতে শুরু করেছে। তারই মাঝে মুখ খুলল দিল্লি পুলিশ।

এদিকে, ঘটনার পরই শহর কলকাতায় শুরু হয়েছে নাকা চেকিং। গোটা দিল্লিতে হাই অ্যালার্ট জারি। হাই অ্যালার্ট জারি মুম্বইতেও। উত্তর প্রদেশেও জারি হয়েছে হাইঅ্যালার্ট।
ঘটনাস্থলে এদিন পৌঁছে যান দিল্লির পুলিশ কমিশনার সতীশ গোলচা। তিনি বলেন, 'আজ সন্ধ্যা ৬.৫২ মিনিট নাগাদ, লাল বাতিতে ধীরগতিতে চলা একটি গাড়ি এসে থামল। সেই গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং বিস্ফোরণের ফলে আশেপাশের যানবাহনগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সমস্ত প্রতিষ্ঠান, এফএসএল, এনআইএ, এখানে আছে... এই ঘটনায় কয়েকজন মারা গিয়েছেন এবং কিছু জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও আমাদের ফোন করেছেন এবং সময়ে সময়ে তাঁর সাথে তথ্য ভাগ করে নেওয়া হচ্ছে।' জানা গিয়েছে, গাড়িতে একাধিকজন ছিল। গাড়িটি আই২০ গাড়ি ছিল বলেও খবর।
( আগামিকাল ১১ নভেম্বর ২০২৫র রাশিফল দেখে নিন, মেষ থেকে মীনের মধ্যে লাকি কারা?)
উল্লেখ্য, এদিন বেলা গড়াতেই দেশে একাধিক জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতারির খবর আসতে থাকে। গতকালই আমেদাবাদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে একাধিক জনকে গ্রেফতার করা হয়। আদিন সকালে দিল্লির অদূরে ফরিদাবাদ থেকে একাধিক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই চিকিৎসক। কিছু দিন আগে কাশ্মীর পুলিশ শ্রীনগরে পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের সমর্থনে পোস্টার সাঁটার অভিযোগে এক চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছিল। এরপর এদিন জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ জানায় ফরিদাবাদের গ্রেফতারির পর মোট ২৯০০কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। উঠে আসে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের প্রসঙ্গও। উঠে আসে হোয়াইট কলার ইকোসিস্টেম ইস্যু। উঠে আসে এক মহিলা চিকিৎসকের গাড়ির ভিতর থাকা অ্যাসল্ট রাইফেলের তথ্যও। এই অবস্থায় সন্ধ্যা গড়াতেই উঠে এল দিল্লিতে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণেরর খবর। ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন ওঠে, এই ঘটনার সঙ্গে কি সন্ত্রাস জড়িত? তা নিয়ে একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট উঠে আসছে।