JEE and NEET based admission criteria: NEET, JEE-র গুরুত্ব কমছে? ভরতির জন্য উচ্চমাধ্যমিকের ৫০% নম্বরও যোগ করা হতে পারে
JEE and NEET based admission criteria: মেডিক্যাল কলেজে ভরতির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়া নিট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভরতির জন্য জয়েন্টের গুরুত্ব কমতে চলেছে? রিপোর্ট অনুযায়ী, সেরকমই প্রস্তাব দিয়ে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।
JEE and NEET based admission criteria: নিট ও জয়েন্টের মতো প্রবেশিকার গুরুত্ব কি কিছুটা কমতে চলেছে? তেমনই ভাবনাচিন্তা চলছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিক্যাল কলেজে ভরতির ক্ষেত্রে বোর্ড পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা যায় কিনা, সেই বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। আর সেক্ষেত্রে বোর্ড পরীক্ষার ‘ওয়েটেজ’ ৫০ শতাংশ করা হবে, সেই নিয়েই আলোচনা চলছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

JEE ও NEET পরীক্ষার নিয়ম কী আছে?
এমনিতে বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভরতির জন্য সর্বভারতীয় জয়েন্ট বা জেইই মেন পরীক্ষা হয়। আর ডাক্তারি কোর্সে ভরতির জন্য প্রার্থীদের দিতে হয় সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা বা নিট। এখন যে নিয়ম আছে, তাতে জয়েন্ট এবং নিটের প্রাপ্ত নম্বরের উপর নির্ভর করে যথাক্রমে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিক্যাল কলেজে ভরতির সুযোগ মেলে। সেক্ষেত্রে দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় কোয়ালিফাইং নম্বর পেলেই হয়। অর্থাৎ যোগ্যতামান পেরনোর জন্য ন্যূনতম নম্বর পেতে হয় প্রার্থীদের।
বোর্ড পরীক্ষার ক্ষেত্রে ৫০% ওয়েটেজ থাকবে?
কিন্তু গত বছর কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে যে নয় সদস্যের কমিটি (কোচিংয়ের উপরে পড়ুয়াদের নির্ভরতা কমাতে, ডামি স্কুলে রাশ টানতে ও প্রবেশিকা পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সেই কমিটি তৈরি করা হয়) গঠন করা হয়েছে, তা বোর্ড পরীক্ষার ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ‘ওয়েটেজ’-র নিয়ম চালু করার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে।
সেই নিয়ম বাস্তবায়িত হলে শুধু নিট বা জয়েন্টের প্রবেশিকায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভরতি হওয়া যাবে না। নিটে প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে বোর্ড পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর যোগ (বোর্ড পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৫০ শতাংশ যোগ করা হবে) করেই মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। তার ভিত্তিতে ভরতি হওয়া যাবে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিক্যাল কলেজে।
কী কী পরিবর্তন হতে পারে?
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক সূত্র বলেছেন যে ‘যে সব পরিবর্তনের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে মেধাতালিকায় বোর্ড পরীক্ষার নম্বরের জন্য ৫০ শতাংশ গুরুত্ব প্রদান, কোচিং সেন্টারের উপর নির্ভরতা কমাতে প্রবেশিকা পরীক্ষার সঙ্গে স্কুলের পাঠ্যক্রমে সামঞ্জস্য আনা, একাধিকবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ এবং ধাপে-ধাপে অ্যাডাপ্টিভ অন-ডিমান্ড কম্পিউটার-ভিত্তিক পরীক্ষা (আগের প্রশ্নের উত্তরের ভিত্তিতে নির্ধারিত করা হবে যে পরবর্তী প্রশ্ন কতটা কঠিন হবে) পদ্ধতির দিকে সরে আসা।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


