Indian High Commissioner to Bangladesh: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাক্তন 'সৈনিক'-কে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার করে পাঠাচ্ছে নয়াদিল্লি। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক্তন রেলমন্ত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এতদিন সেই পদে ছিলেন আদ্যোপান্ত আমলা প্রণয় বর্মা। তবে তাঁকে ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে ভারতের দূত করে পাঠানো হয়েছে। আর তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে ভারতের হাইকমিশনার করে বাংলাদেশে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতাকে পাঠাতে চলেছে নয়াদিল্লি।
রেলমন্ত্রী, তৃণমূল, বিজেপি থেকে বাংলাদেশে

এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা না হলেও মোদী সরকারের সেই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন পরে প্রতিবেশী দেশে দূত হিসেবে কোনও রাজনীতিবিদকে পাঠানো হচ্ছে। যিনি ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন। তাছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা হিসেবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন। যদিও পরবর্তীতে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। আর এবার সেই দীনেশকে বাংলাদেশে পাঠাতে চলেছে মোদী সরকার।
সম্পর্ক মেরামতির উপরে জোর দিয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ
আর যে সময় মোদী সরকার সেই সিদ্ধান্ত নিল, যখন প্রায় দু'বছরের শৈত্য কাটিয়ে নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি এবং ঢাকা। ২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকেছিল। তবে ভোটে জিতে তারেক রহমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে সেই সম্পর্ক মেরামতের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের শাড়ি কূটনীতি ভারতে
{{/usCountry}}বাংলাদেশের শাড়ি কূটনীতি ভারতে
{{/usCountry}}এমনকী ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশি হাইকমিশন 'শাড়ি কূটনীতি' শুরু করেছে। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশি হাইকমিশনের তরফ থেকে বাংলাদেশি শাড়ির একটি প্রদর্শনী চালু করা হয়েছে। পাবনা এবং টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি বিক্রি হচ্ছে সেই প্রদর্শনীতে। উল্লেখ্য, ইউনেস্কো ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ‘টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি-বয়ন শিল্প’কে মানবজাতির অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই টাঙ্গাইলের শাড়ির ঐতিহ্য প্রায় ২০০ বছর পুরনো। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার, সন্তোষ ও ঘ্রিন্দা এলাকা থেকে এই শিল্প ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ে।
শাড়ি প্রদর্শনীর উদ্বোধনীর সময় সংক্ষিপ্ত ভাষণে বাংলাদেশি হাইকমিশনার হামিদুল্লা রিয়াজ বলেন, 'এটা কিন্তু কোনও কূটনীতি নয়। বরং এটা কারিগরদের উদযাপনের একটি প্রচেষ্টা। আমাদের মানুষের সঙ্গে যুক্ত হবে। কূটনীতিতে আমাদের অনেক দর কষাকষি করতে হয়। তবে এরই সঙ্গে আমাদের একে অপরের প্রতি ভরসা করতে হবে।'