Trump and Israel war on Us-Iran war: বন্ধুদের উপরে রেগে ফায়ার ট্রাম্পের, ইরান ছাড়ার ইঙ্গিত, অন্য পরিকল্পনা ইজরায়েলের
সমঝোতা ছাড়াই ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে ইরান যুদ্ধ থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প। অন্যদিকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু দিলেন চূড়ান্ত আঘাতের হুঁশিয়ারি। জানুন মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রের সর্বশেষ আপডেট।
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে এক নাটকীয় মোড় নিতে চলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই আমেরিকা খুব শীঘ্রই যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করতে পারে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব দ্রুত ইরান ছাড়ব, সম্ভবত দুই বা তিন সপ্তাহের মধ্যেই।’ তবে এই মন্তব্যের ঠিক উল্টো সুর শোনা যাচ্ছে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কণ্ঠে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইরানের ‘সন্ত্রাসী শাসন’ গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত ইজরায়েলি অভিযান থামবে না।

ট্রাম্পের ‘এক্সিট প্ল্যান’ ও হরমুজ প্রণালী
ট্রাম্পের এই হঠাৎ ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে কোনও দীর্ঘমেয়াদী সমঝোতা বা চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রয়োজন মনে করছে না। তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ক্ষমতা তৈরি করার সক্ষমতা নষ্ট করা। ট্রাম্পের দাবি, ‘আমরা কাজ শেষ করছি। ওদের যা কিছু আছে আমরা তা ধ্বংস করে দিতে চাই।’
তারইমধ্যে মিত্র দেশগুলির প্রতি রেগে আগুন হয়ে গিয়েছেন ট্রাম্প। বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ যে পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেই হরমুজ প্রণালীর সুরক্ষার দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছেন তিনি। মিত্র দেশগুলোকে আক্রমণ করে তিনি লিখেছেন, ‘নিজেদের তেল নিজেরাই সংগ্রহ করুন। ফ্রান্স বা অন্য যারা এই পথ ব্যবহার করে, পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব তাদেরই।’
ইজরায়েলের অনড় অবস্থান
আমেরিকা পিছু হটার ইঙ্গিত দিলেও ইজরায়েল যুদ্ধের তীব্রতা কমানোর কোনও লক্ষণ দেখাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মঙ্গলবার এক টেলিভিশন ভাষণে বলেন, ‘যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি।’ তিনি দাবি করেন যে, ইজরায়েল পদ্ধতিগতভাবে ইরান এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর নেটওয়ার্ক ধ্বংস করছে। গত কয়েক দিনে ইজরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর একাধিক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন এবং দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী আরও গভীরে প্রবেশের চেষ্টা করছে।
ইরানের প্রতিক্রিয়া ও বৈশ্বিক প্রভাব
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন যে, তেহরান যুদ্ধ বন্ধ করতে ইচ্ছুক। তবে তার জন্য নিরাপত্তার গ্যারান্টি প্রয়োজন। এদিকে ভারতের মতো দেশগুলোতেও এই যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন।
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ‘দ্রুত প্রস্থান’ মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েলকে একা করে দিতে পারে, অথবা এটি হতে পারে ইরানের ওপর চূড়ান্ত কোনও হামলার আগে ট্রাম্পের একটি কৌশলগত চাল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


