East Bengal draws in Jordan: মোহনবাগান 'পালিয়েছিল', যুদ্ধের আবহে ড্র করে এশিয়ায় ভারতের পতাকা ওড়াল ইস্টবেঙ্গল
East Bengal draws in Jordan: বুকে ইস্টবেঙ্গলের লোগোর উপরে ভারতের যে পতাকা আছে, সেটা যে লোক দেখানোর নয়, তা জর্ডনের মাঠে প্রমাণ করল লাল-হলুদ শিবির। জর্ডনের মাঠে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু’র ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করল।
East Bengal draws in Jordan: ‘দেশের সম্মান যেখানে, ইস্টবেঙ্গল জ্বলে উঠবে সেখানে’ - এই লাইনটা সম্ভবত খুব ফিকে বা পুরনো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু’র গ্রুপ পর্বের অ্যাওয়ে ম্যাচে জর্ডনের মাঠে ইস্টবেঙ্গল যে কাজটা করল, তারপর ওই লাইনটা না বললে যেন লাল-হলুদ শিবিরের প্রত্যেক খেলোয়াড়, প্রত্যেক কোচ, প্রত্যেক সাপোর্ট স্টাফ, প্রত্যেক সমর্থকের প্রতি অবিচার করা হবে। বিশেষত পড়শি ক্লাব মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট যখন পরপর দু'বার যুদ্ধের কারণ দর্শিয়ে খেলতে যাইনি, তখন স্টেডিয়ামের অদূরের এলাকায় ইরানের মিসাইল হামলার মধ্যেই আম্মানের মাঠে নেমে জর্ডনের আল-হুসেইন ক্লাবের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করল ইস্টবেঙ্গল। তারপরও হতাশ হবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। কারণ ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েও এক পয়েন্টে সন্তুষ্ট থাকতে হল।

৯ মিনিটেই এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল
যদিও ঘরের মাঠে শুরুটা আক্রমণাত্মক করার চেষ্টা করেছিল আল-হুসেইন। লাল-হলুদ মশাল জ্বলে উঠতে অবশ্য নয় মিনিটের বেশি লাগেনি। নয় মিনিটে একটি লুজ বল থেকে শট নেন এডমুন্ড। তবে ভালো সেভ করেন জর্ডনের ক্লাবের গোলকিপার। কিন্তু ফিরতি বলে ডানি রামিরেজের জোরালো শট আছড়ে পড়ে হোম টিমের জালে।
সুবর্ণ সুযোগ মিস এডমুন্ডের, ২ মিনিট পরেই গোল ‘সুইট কিডের’
সেই গোল হজম করার পরে ইস্টবেঙ্গলকে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করে জর্ডনের ক্লাব। তবে আন্তোনিও হাবাস লোপেজের দলের ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি। তারইমধ্যে ৩৮ মিনিটে একেবারে সুবর্ণ সুযোগ ফস্কে দেন এডমুন্ড। সামনে শুধু ছিলেন গোলকিপার। কিন্তু তেকাঠিতেও বল রাখতে পারেননি ভারতীয় তারকা।
ব্যবধান কমায় জর্ডনের ক্লাব, মুহূর্মুহূ আক্রমণ
ওই হতাশার মুহূর্ত অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কারণ দু'মিনিটের মধ্যেই লিড বাড়িয়ে ফেলে ইস্টবেঙ্গল। রামিরেজের কর্নার থেকে হেডে গোল করে যান 'সুইট কিড' আনোয়ার আলি। সেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়েই প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় ইস্টবেঙ্গল। যে ব্যবধানটা ৬১ মিনিটে কমিয়ে ফেলেন আল মারদি। তারপর মুহূর্মুহূ আক্রমণ করতে থাকে জর্ডনের ক্লাব। যে চাপের কাছে ৮৭ মিনিটে নতিস্বীকার করে ইস্টবেঙ্গল। খেলা শেষ হয় ২-২ গোলেই।
মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের
আর ইস্টবেঙ্গলের সেই পারফরম্যান্সের পরে মোহনবাগানকে কটাক্ষ করেছেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। কারণ যুদ্ধের কারণ দর্শিয়ে পরপর দু'বার ইরানে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু’র গ্রুপ পর্বের অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে যায়নি মোহনবাগান। প্রথমবার ঝুঁকিটা সত্যিই ছিল। কিন্তু দ্বিতীয়বার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেটা পুরোপুরি অজুহাত বলে কটাক্ষ করেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, ভয় পালিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


