Success Story: IIT ভরতির পরীক্ষায় 'ফেল', সেই মেয়েই আজ বিশ্ব কাঁপাচ্ছেন AI বিপ্লবের মাধ্যমে
Success Story: IIT ভরতির পরীক্ষায় 'ফেল', সেই মেয়েই আজ বিশ্ব কাঁপাচ্ছেন AI বিপ্লবের মাধ্যমে। অনেকের মতোই তাঁর আইআইটিতে ভরতি হওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি। তবে তাতে থেমে থাকেননি। বরং বিশ্বমঞ্চ কাঁপাচ্ছেন।
Success Story: প্রতি বছর লাখ-লাখ পরীক্ষার্থী আইআইটিতে ভরতির জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যান। সকলেই সফল হন না। আর আইআইটিতে ভরতি হতে না পারলেই যে জীবন শেষ হয়ে যায় না, তা প্রমাণ করলেন পুণের নিকি পরমার। আইআইটি পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েও আজ বিশ্বের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) জগতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব। ChatGPT, Claude কিংবা Google Gemini-এর মতো আধুনিক প্রযুক্তির নেপথ্যে রয়েছে তাঁর মেধা ও ঐতিহাসিক আবিষ্কার।

অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে AI-র সন্ধান
আইআইটিতে সুযোগ না পেয়ে কলেজে পড়ার সময় ২০১০ সালে নিকি 'ইন্ট্রোডাকশন টু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স' নামক একটি অনলাইন কোর্সে যোগ দিয়েছিলেন। সেইসময় আজকের মতো এআই চ্যাটবট বা মেশিন লার্নিং নিয়ে বিশ্বজুড়ে এক হইচই ছিল না। সম্পূর্ণ নিজের আগ্রহে অনলাইন কোর্স এবং বিভিন্ন সাইড প্রজেক্টের মাধ্যমে এআইয়ের জটিল বিষয়গুলো শিখতে শুরু করেছিলেন। নিজের এই কৌতূহলই পরবর্তীতে তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
গুগলের কনিষ্ঠতম গবেষক এবং 'Transformer' বিপ্লব
মাত্র ২৪ বছরে নিকি গুগলের এআই রিসার্চ টিমে যোগ দেন। তিনি ছিলেন তাঁর টিমের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য এবং পিএইচডি (PhD) ডিগ্রি না থাকা একমাত্র গবেষক। প্রথম দিকে কিছুটা জড়তা থাকলেও নিজের কাজের প্রতি নিষ্ঠার কারণে তিনি দ্রুত মানিয়ে নেন। ২০১৭ সালে গুগলে কাজ করার সময় নিকি এবং তাঁর সহযোগীরা 'Transformer Model' নিয়ে কাজ শুরু করেন। এটি তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাসাইনমেন্ট ছিল না, কেবল নিজের আগ্রহ থেকেই তিনি এই প্রজেক্টে যুক্ত হয়েছিলেন।
এই গভীর কৌতূহলের ফলস্বরূপ ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয় ঐতিহাসিক গবেষণাপত্র ‘Attention Is All You Need’। নিকি ছিলেন এই পেপারের অন্যতম প্রধান আটজন সহ-লেখকের একজন। এই গবেষণাপত্রে পরিচিত করানো 'ট্রান্সফর্মার আর্কিটেকচার' আজ আধুনিক এআই প্রযুক্তির মেরুদণ্ড। বর্তমান যুগের ChatGPT, Gemini বা Claude—সব কিছুই এই মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
স্টার্টআপের দুনিয়ায় নতুন চ্যালেঞ্জ: এসেনশিয়াল এআই
গুগলে অসাধারণ সাফল্যের পর নিকি নিজেকে একটি গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখতে চাননি। তিনি এআই-কে ব্যবসার কাজে আরও সহজলভ্য করতে প্রতিষ্ঠা করেন 'Essential AI' নামক একটি স্টার্টআপ। তাঁর এই স্টার্টআপটি বর্তমানে গুগল, এনভিডিয়া (Nvidia) এবং এএমডি (AMD)-র মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি সংস্থাগুলির থেকে বিপুল বিনিয়োগ লাভ করেছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


