Student making Indian Army Drones: ভারতীয় সেনার জন্য আধুনিক ড্রোন তৈরি করতে কলেজ ছাত্রকে ৩.৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, হিমাচল প্রদেশের হরিমপুরের পলিটেকনিক কলেজের ছাত্র সর্বেশ শর্মা এমন একটি আধুনিক ড্রোন করেছেন, যা শত্রুপক্ষের রেডারে ধরা পড়বে না। এমনকী জ্যামিংও করা যাবে না সেই ড্রোনকে। অর্থাৎ শত্রুপক্ষের হাত কার্যত বাধা থাকবে। আর তারপরই সেনার জন্য ড্রোন তৈরি করতে তাঁকে বড় অঙ্কের টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত মঞ্জুর করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
জাতীয় প্রতিযোগিতা থেকে সর্বেশের যাত্রা শুরু

আর সর্বেশের সেই যাত্রাটা শুরু হয় জাতীয় স্তরের একটি প্রতিযোগিতা থেকে। ভারতীয় সেনার কোনার কোর এবং আইআইটি যোধপুরের তরফে 'ওপেন কার্ডবোর্ড ড্রোন কম্পিটিশন'-র আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০টি দল অংশগ্রহণ করে সেই প্রতিযোগিতায়। তুলে ধরে নিজেদের উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি। সীমান্তে নজরদারির সময় সেনাকে কী কী সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, তা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
৮৭,০০০ টাকায় অত্যাধুনিক ড্রোন তৈরি
তারইমধ্যে ওই প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অধিকার করে সরকারি পলিটেকনিক কলেজের ছাত্র সর্বেশের টিম। পুরস্কারমূল্য পায় ১০ লাখ টাকা। সেখান থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে সেনার হাত আরও শক্ত করতে এবং প্রতিকূলতা দূর করতে ড্রোন তৈরি করতে থাকেন। তৈরিও করে ফেলেন একটি ড্রোন। খরচ পড়ে ৮৭,০০০ টাকা।
রুদ্র এজ টি-১ ড্রোন তৈরি করবেন সর্বেশ
তারপরই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ডিফেন্স ইনোভেশন অর্গানাইজেশন এবং ইনোভেশনস ফর ডিফেন্স এক্সিলেন্স কর্মসূচির আওতায় স্টার্ট-আপ প্রকল্পের জন্য আবেদন করেন হিমাচলের পড়ুয়া। আর সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সেনার জন্য 'রুদ্র এজ টি-১ (স্পেকট্রা)' ড্রোন তৈরি করবেন সর্বেশ। যা ব্যবহার করে ভারতীয় সেনার হাত আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকরা।
{{/usCountry}}তারপরই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ডিফেন্স ইনোভেশন অর্গানাইজেশন এবং ইনোভেশনস ফর ডিফেন্স এক্সিলেন্স কর্মসূচির আওতায় স্টার্ট-আপ প্রকল্পের জন্য আবেদন করেন হিমাচলের পড়ুয়া। আর সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সেনার জন্য 'রুদ্র এজ টি-১ (স্পেকট্রা)' ড্রোন তৈরি করবেন সর্বেশ। যা ব্যবহার করে ভারতীয় সেনার হাত আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকরা।
{{/usCountry}}সূত্রের খবর, সেনার সেই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য ২০ দিন দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে। সর্বেশের কাজের জন্য আইআইটি রুবকিতে ল্যাবরেটরিও বরাদ্দ করা হয়েছে। সেখানেই কাজ করবেন সর্বেশ। যে কাজটা শেষ করতে হবে ২০ মাসের মধ্যে।
কলেজ ছাত্র সর্বেশ কুমারের পরিচয়
১) সংবাদমাধ্যম দৈনিক জাগরণের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বেশের ভাড়া দিনমজুরির কাজ করেন। গ্রামের ছাপোষা পরিবারের ছেলে।
২) সর্বেশ আপাতত সরকারি পলিটেকনিক কলেজে পঞ্চম সেমিস্টারের পড়ুয়া।