US-Iran War: মোদীর এক ফোনেই শেষ হতে পারে ইরান যুদ্ধ, বড় দাবি UAE-র প্রাক্তন রাষ্ট্রদূতের
উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের আগুনে পুড়ছে আন্তর্জাতিক বাজার। ঠিক এই পরিস্থিতিতে বিশ্বের নজর এখন ভারতের দিকে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রাক্তন এক রাষ্ট্রদূতের সাম্প্রতিক একটি বয়ান বিশ্ব রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের আগুনে পুড়ছে আন্তর্জাতিক বাজার। ঠিক এই পরিস্থিতিতে বিশ্বের নজর এখন ভারতের দিকে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রাক্তন এক রাষ্ট্রদূতের সাম্প্রতিক একটি বয়ান বিশ্ব রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তাঁর দাবি, একমাত্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ফোনই পারে এই ভয়াবহ ধ্বংসলীলা থামাতে।

বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তি:
প্রাক্তন রাষ্ট্রদূতের মতে, বর্তমান বিশ্বে ভারতের অবস্থান এমন এক জায়গায়, যেখানে তারা একদিকে যেমন আমেরিকার বন্ধু, অন্যদিকে রাশিয়ার সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রাখে। কিন্তু সবথেকে বড় বিষয় হল ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক। এই নিরপেক্ষ কিন্তু প্রভাবশালী অবস্থানের কারণেই ভারত আজ 'শান্তি দূত' হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
একটি ফোনেই কীভাবে সম্ভব শান্তি?
রিপোর্ট অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ওই প্রাক্তন কূটনীতিক বিশ্বাস করেন যে প্রধানমন্ত্রী মোদীর আন্তর্জাতিক স্তরে যে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তা অন্য কোনও বিশ্বনেতার নেই। ইরান ও আরব দেশগুলির সঙ্গে মোদীর ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক এই জটিল কূটনৈতিক জট ছাড়াতে চাবিকাঠি হতে পারে। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদী যদি সরাসরি ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেন, তবে যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটা অনেক সহজ হবে।
কেন মোদীর উপরে এত আস্থা রেখেছেন?
১) ব্যক্তিগত রসায়ন: মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির রাজপরিবার এবং রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কারও অজানা নয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে শুরু করে কাতার বা সৌদি আরব- সবাই মোদীকে বিশেষ সম্মান দেয়।
২) অতীতের দৃষ্টান্ত: এর আগে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময়ও ভারতের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছিল। ‘আজকের যুগ যুদ্ধের নয়’ - মোদীর এই বার্তা বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলি গ্রহণ করেছিল।
৩) অর্থনৈতিক স্বার্থ: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তার প্রভাব ভারতের পাশাপাশি গোটা বিশ্বের তেলের বাজারের ওপর পড়বে। ভারত এই অস্থিরতা কমাতে সবথেকে বেশি সক্রিয়।
ভারতের কূটনৈতিক কৌশল
নয়াদিল্লি সবসময়ই আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে। বর্তমানে বিদেশ মন্ত্রক পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। কূটনীতিকদের মতে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রাক্তন রাষ্ট্রদূতের এই বয়ান ভারতের ওপর আন্তর্জাতিক প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


