...
...
Next Story

Govt Jobs Success Story: মায়ের সঙ্গে বাড়ি-বাড়ি টিফিন দিতেন, সেই মেয়েই PSC দিয়ে হলেন ডেপুটি কালেক্টর

Govt Jobs Success Story: খুব ছোটোবেলায় বাবার মৃত্যু হয়েছিল। তারপর সংসারের হাল ধরেছিলেন মা। টিফিনের ব্যবসা করতেন। মায়ের সঙ্গে বাড়ি-বাড়ি টিফিন পৌঁছে দিতেন মেয়ে। সেই মেয়েই PSC দিয়ে হলেন ডেপুটি কালেক্টর।

Published on: Jul 16, 2026, 08:35:03 IST
Advertisement

Govt Jobs Success Story: বাবার মৃত্যুর পরে মায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতেন। মা টিফিন তৈরি করতেন। আর সেই টিফিন পৌঁছে দিতেন বিভিন্ন সরকারি অফিসে। সেই প্রতিকূলতাকে জয় করেই সাফল্যের শিখরে পৌঁছালেন উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশের মেয়ে মীনাক্ষী ভাটিয়া। ২০২৪ সালের উত্তরাখণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় বাজিমাত করেছেন। জেনারেল ক্যাটেগরিতে পঞ্চম স্থান অধিকার করেন। বর্তমানে তিনি ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন।

ছোটোবেলায় বাবার মৃত্যু, পরিবারের হাল ধরেন মা

লড়াই করে বড় হয়েছেন, সেই মেয়ে পিএসসি ক্র্যাক করে হলেন ডেপুটি কালেক্টর। (ফাইল ছবি)
লড়াই করে বড় হয়েছেন, সেই মেয়ে পিএসসি ক্র্যাক করে হলেন ডেপুটি কালেক্টর। (ফাইল ছবি)

যদি মীনাক্ষীর ছোটোবেলা ছিল কণ্টকপূর্ণ। সালটা তখন ২০০৩। মীনাক্ষী তখন একেবারে ছোটো। আচমকাই মৃত্যু হয় বাবার। চারিদিকে নেমে আসে চরম অনিশ্চয়তার অন্ধকার। কিন্তু ভেঙে পড়েননি তাঁর মা নীলম ভাটিয়া। দুই মেয়েকে মানুষের মতো মানুষ করতে এবং সংসারের হাল টানতে একটি ছোটো টিফিন সার্ভিসের ব্যবসা শুরু করেছিলেন।

আরও পড়ুন: Kolkata Girl becomes Global Topper: 'বিশ্বসেরা' হলেন কলকাতার ছাত্রী, সুযোগ লন্ডনের কলেজে, ‘টপার’ হয়েছেন আরও ২ পড়ুয়া

সেই কঠিন সময় ছোট্ট মীনাক্ষী পড়াশোনার পাশাপাশি মায়ের পাশে শক্ত খুঁটি হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। মায়ের শরীরের ক্লান্তি আর পরিশ্রমের বোঝা কমাতে নিজে হাতে করে বিভিন্ন বাড়ি-বাড়ি এবং সরকারি অফিসে গিয়ে টিফিন পৌঁছে দেওয়ার কঠিন কাজ শুরু করেন তিনি।

মায়ের তৈরি করা টিফিন পৌঁছে দেওয়ার জন্য মীনাক্ষীকে রোজ বিভিন্ন সরকারি কার্যালয়ে যেতে হত। সেখানে টিফিন দেওয়ার পাশাপাশি তিনি খুব কাছ থেকে দেখতেন প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাজ। যা মীনাক্ষীকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। সরকারি দফতরের চেয়ারে বসা সেই অফিসারদের দেখেই মীনাক্ষীর মনে মস্ত বড় স্বপ্ন বাসা বেঁধেছিলেন। মনে-মনে স্থির করেছিলেন যে একদিন তিনিও সরকারি অফিসার হবেন।

আরও পড়ুন: UPSC Civil Services Success Story: ২৩ লাখ টাকার চাকরি ছেড়ে IAS হলেন কাজল! অফিস-পরিবার সামলে পড়তেন বিশেষ কৌশলে

বরাবরই মেধাবী ছিলেন, সেই ধারা অব্যাহত রাখেন PSC পরীক্ষায়

মীনাক্ষী প্রথম থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ঋষিকেশে প্রথম হয়েছিলেন। সেই মেয়ে ইউকেপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তিনি নিজেকে বাইরের জগৎ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছিলেন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ ঘণ্টা গভীর মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতেন। সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য যে কোনও ধরনের বিনোদনমূলক কাজ থেকে নিজেকে পুরোপুরি দূরে রেখেছিলেন। তাঁর সেই আত্মত্যাগ এবং কঠোর পরিশ্রমের ফল আজ অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণাদায়ক।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe