Gurugram Biker Crash Latest Update: গুরুগ্রামের বাইক-কাণ্ডে যুবতীর উপরেই দোষ চাপালেন অভিযুক্ত কল্যাণ বইঁসলার আইনজীবী। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, কল্যাণের আইনজীবী অভিযোগ করেছেন যে ‘আপনি মহিলার ভিডিয়োটা দেখুন, সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখুন। ঘণ্টায় ১৪০-১৭০ কিমি বাইক ছোটাচ্ছিলেন মহিলা। রাস্তাটা স্টান্টবাজির জন্য নয়, রাস্তাটা স্পিড (তোলার) জন্য নয়। বিতর্ক উস্কে দেওয়ার জন্য এটার প্রচার চালানো হচ্ছে। উনি এমন একজন মহিলা, যিনি (সোশ্যাল মিডিয়ায়) ফলোয়ার্স চান, ভিউ চান, প্রচার চান।’
ইচ্ছা করে ধাক্কা মারেননি, দাবি কল্যাণের

তাঁর মক্কেল তথা অভিযুক্ত কল্যাণও একইসুরে মহিলা বাইকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুরুগ্রামের গলফ কোর্স রোডে মহিলা বাইকারকে একটি গাড়ি ধাক্কা দিচ্ছে, সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পরে অভিযুক্ত স্বীকার করেছেন যে ভুলবশত পুরো ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি ইচ্ছা করে ধাক্কা মারেননি। ইউ-টার্ন নেওয়ার সময় গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন বলে দাবি করেন কল্যাণ।
গণপিটুনির ভয়ে পালান, দাবি কল্যাণের
নিজেকে জিমের মালিকের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কবাডি খেলোয়াড় হিসেবে দাবি করা কল্যাণ বলেছেন, 'আমি পরিবারের সঙ্গে যাচ্ছিলাম। আমি ওই মহিলাকে লক্ষ্য করে কোনও ইঙ্গিত করিনি। আমি শুধু তাঁকে বলেছিলাম যে যেন বাইকটা আস্তে চালান। আমি স্বীকার করছি যে ধাক্কা লেগেছিল। আমি যদি সেইসময় দাঁড়িয়ে যেতাম, তাহলে ওই লোকগুলো আমায় পেটাত।'
কল্যাণের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন বাইকার যুবতী
যদিও কল্যাণের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ‘সিয়া’ নামে ওই বাইকার যুবতী। তিনি অভিযোগ করেছেন, রবিবার যখন আরও কয়েকজনের সঙ্গে বাইকে করে যাচ্ছিলেন, সেইসময় একটি গাড়ি তাঁদের ফলো করতে শুরু করেছিল। গাড়িটা বারবার তাঁর বাইকের কাছে চলে আসছিল। আর গাড়ি থেকে এমন অঙ্গভঙ্গি করা হচ্ছিল, যাতে তিনি অস্বস্তিতে পড়ে যাচ্ছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে গাড়ির চালককে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব রেখে চালাতে বলেছিলেন বলে জানিয়েছেন যুবতী।
{{/usCountry}}যদিও কল্যাণের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ‘সিয়া’ নামে ওই বাইকার যুবতী। তিনি অভিযোগ করেছেন, রবিবার যখন আরও কয়েকজনের সঙ্গে বাইকে করে যাচ্ছিলেন, সেইসময় একটি গাড়ি তাঁদের ফলো করতে শুরু করেছিল। গাড়িটা বারবার তাঁর বাইকের কাছে চলে আসছিল। আর গাড়ি থেকে এমন অঙ্গভঙ্গি করা হচ্ছিল, যাতে তিনি অস্বস্তিতে পড়ে যাচ্ছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে গাড়ির চালককে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব রেখে চালাতে বলেছিলেন বলে জানিয়েছেন যুবতী।
{{/usCountry}}তিনি দাবি করেছেন, গাড়ির ভিতরে যাঁরা ছিলেন, তাঁরা মদ খেয়েছিলেন বলে মনে হচ্ছিল। তাঁকে বারবার বাইক থামাতে বলছিলেন। কিন্তু নিজের সুরক্ষার কথা ভেবে বাইক দাঁড় করাননি। তারইমধ্যে গাড়িটি ওভারটেক করার সময় পাশ দিয়ে তাঁর বাইকে ধাক্কা মারে। তার জেরে বাইক থেকে ছিটকে পড়ে যান। যে ঘটনার ভিডিয়ো তাঁর বাইকে থাকা ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছেন যুবতী।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবতীর বড়সড় কোনও চোট লাগেনি। অভিযুক্তকে ধরতে তিনটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছিল। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একগুচ্ছ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।