Gyanesh Kumar Resignation Protest: 'এক কচুরি, দো সামোসা…', জেন-জি ছোঁয়া জ্ঞানেশ হটাও অভিযানে, ঘুঁটি সাজাল ‘ইন্ডিয়া’
Gyanesh Kumar Resignation Protest: 'এক কচুরি, দো সামোসা…', জেন-জি ছোঁয়া পাওয়া গেল ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার হটাও অভিযানে। তারইমধ্যে জোট বেঁধে পরবর্তী ঘুঁটি সাজাল বিরোধীদের 'ইন্ডিয়া' জোট।
Gyanesh Kumar Resignation Protest: 'এক কচুরি, দো সামোসা, জ্ঞানেশ কুমার তুমহারা কেয়া ভরোসা' - জেন-জি স্লোগানের ছোঁয়া পাওয়া গেল বিরোধী জোটের জ্ঞানেশ কুমারের হটাও অভিযানে। তারইমধ্যে ইন্ডিয়া জোটের নির্বাচন কমিশনের অভিযানের জেরে সারাদিন দিল্লি সরগরম হওয়ার পরে রাতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ প্রায় ১০০ জন বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়। আট ঘণ্টা ধরনার পরে তাঁদের কিছুক্ষণের জন্য আটক করে পুলিশ। ঘণ্টাদুয়েক পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তারইমধ্যে পরবর্তী ঘুঁটি সাজাতে শুরু করে দিয়েছেন বিরোধীরা।

রাষ্ট্রপতির দুয়ারে যেতে পারে বিরোধী জোট
সূত্রের খবর, কয়েকদিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আর্জি জানানো হয়েছে। জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে রাষ্ট্রপতির দুয়ারে যেতে পারেন রাহুল, রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, অখিলেশ যাদব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শরদ পাওয়ার, ওমর আবদুল্লা, তেজস্বী যাদব, এমএ বেবি, ডি রাজাদের বিরোধী শিবিরের ‘মুখ’-রা। তারপর আগামী ১ নভেম্বরে দিল্লির রামলীলা ময়দানে মেগা সমাবেশেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা ধরনা, পরে আটক করা হয় রাহুলদের
তার আগে ভোটচুরির অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ইস্তফার দাবিতে মঙ্গলবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের অফিস অভিযানে নামেন রাহুলরা। তাতে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেস (মহুয়া মৈত্র, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা ছিলেন), বিজেডি-সহ বিভিন্ন বিরোধী দলের সদস্যরা। তবে কমিশনের দফতরে যাওয়ার আগেই আকাশবাণী ভবনের কাছে তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। সেখানেই প্রায় আট ঘণ্টা ধরনা দেন রাহুল-সহ বিরোধী দলের সদস্যরা। পরবর্তীতে পুলিশ অনেককে আটক করে।
কেন রাহুলদের সঙ্গে দেখা করা হয়নি? ব্যাখ্যা কমিশনের
তারইমধ্যে কমিশনের তরফে রাতে জানানো হয়েছে যে রাহুলদের সঙ্গে কেন দেখা করা হয়নি। কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে, বিকেল চারটে নাগাদ পুলিশের তরফে জানানো হয় যে রাহুলের নেতৃত্বাধীন বিরোধী সাংসদদের একটি প্রতিনিধি দল কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চায় এবং স্মারকলিপি জমা দিতে চায়। কিন্তু কমিশনের যে নিয়ম আছে, সেটা মেনে সাক্ষাতের অনুমতি চাওয়া হয়নি।
কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে, কীভাবে রাজনৈতিক দলগুলি দেখা করতে পারবে কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে, তা নিয়ে ২০২৫ সালেই নিয়মাবলী তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলকেই সেই বিষয়ে জানানো হয়েছিল। সেই নিয়মটা এখন মেনে চলা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা দেখা করতে চান, তাহলে দায়িত্বপ্রাপ্তের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট জোগাড় করতে হয়। তারপর দু'পক্ষের নির্ধারিত সময় সাক্ষাৎ করা হয় বলে কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


