CJP Saurav Das on CEC Gyanesh Kumar: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘জ্ঞানু’ বলে কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সৌরভ দাস। পাশাপাশি বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অপর দুই নির্বাচন কমিশনার এসএস সাধু ও বিবেক জোশীর একসঙ্গে বসে থাকার ছবি পোস্ট করে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে যে ‘ঐক্যবদ্ধ’ থাকার বার্তা তুলে ধরা হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে ককরোচ জনতা পার্টির যুগ্ম-আহ্বায়ক বলেছেন, 'জ্ঞানু ব্রো, ইটস ডান ব্রো। পদত্যাগের পর আপনার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা (ক্রিমিনাল চার্জ) অপেক্ষা (ওয়েটিং) করছে, সেটা অনিবার্য।'
জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবি তুলেছেন অভিজিৎ দীপকে

তারইমধ্যে একটি মিডিয়া রিপোর্টের প্রেক্ষিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবি তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সংবাদমাধ্যম Onmanorama-র রিপোর্ট অনুযায়ী, কেরলমের প্রাক্তন মুখ্যসচিব জিজি থমসন অভিযোগ করেছেন যে জ্ঞানেশ নাকি প্রশ্ন করেছিলেন যে তিনি ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে লড়তে ইচ্ছুক কিনা। ২০১৬ সালে একইসঙ্গে বিমানে যাওয়ার সময় জ্ঞানেশ নাকি তাঁকে সেই প্রশ্ন করেছিলেন বলে দাবি করেছেন কেরলমের প্রাক্তন মুখ্যসচিব।
বিজেপির টিকিটে লড়াইয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল?
২০১৬ সালেই অবসর নেওয়া কেরলমের সেই প্রাক্তন মুখ্যসচিবকে উদ্ধৃত করে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘আমরা একই ফ্লাইটে ছিলাম। উনি প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে যাচ্ছিলেন। আর খোলাখুলিভাবে আমায় জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে আমি পাথানামথিট্টা থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়াই করতে আগ্রহী কিনা। উনি মারাত্মক জোরাজুরি করছিলেন। তবে আমি তৎক্ষণাৎ সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলাম।’
‘ম্যাচ ফিক্সিংয়ের আম্পায়ার’, জ্ঞানেশ কুমারকে কটাক্ষ রাহুলের
{{/usCountry}}‘ম্যাচ ফিক্সিংয়ের আম্পায়ার’, জ্ঞানেশ কুমারকে কটাক্ষ রাহুলের
{{/usCountry}}সেই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। ওই মিডিয়া রিপোর্টের প্রেক্ষিতে জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে ‘ম্যাচ ফিক্সিংয়ের’ অভিযোগ তুলেছেন। লোকসভা বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেছেন, ‘প্রথমত, সেইসময় কর্মরত এক আইএসএস অফিসার জ্ঞানেশ কুমারকে বিজেপির হয়ে লোক নিয়োগের কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। তারপর মোদী এবং শাহ তাঁকেই আম্পায়ার বানিয়ে দিলেন। আর ভারতের নির্বাচনে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়িত্বে বসিয়ে দিয়েছেন।’
জ্ঞানেশ কুমার বিতর্ক
আর জ্ঞানেশকে নিয়ে সেই রিপোর্ট সামনে এসেছে এমন একটা সময়, যখন সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনের পরে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। অভিযোগ উঠেছে যে বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারকে অন্ধকারে রেখেই একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যদিও কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে, যে কোনও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানেই ভিন্নমত পোষণ করা স্বাভাবিক। কিন্তু এসআইআর-সহ যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সর্বসম্মতিক্রমে।