India points CJP Protest to slam UN: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি জিনা রোমেরোকে তুলোধোনা করল ভারত। রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দূত একটি রিপোর্টে দাবি করেছিলেন যে মানসিক স্বাস্থ্য বা লিঙ্গ সংক্রান্ত ন্যায়বিচার নিয়ে আলোচনার কারণে প্রতিশোধের শিকার হয় ভারতের তরুণ প্রজন্ম অথবা তাদের কালিমালিপ্ত করা হয়। সেই রিপোর্ট খারিজ করে দিয়ে ভারতীয় কূটনীতিবিদ অনুজ স্বরূপ একেবারে কড়া ভাষায় দাবি করেছেন, ঠিক এইসব ভিত্তিহীন রিপোর্টের জন্যই রাষ্ট্রসংঘ নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। যে রিপোর্ট বেনামী অভিযোগ ও যাচাই না করা তথ্যের মাধ্যমে করা হয়েছে বলে কড়া ভাষায় জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের বিশেষ দূত।
'রিপোর্টের মোড়কে জনশ্রুতি' পেশ রাষ্ট্রসংঘের দূতের, তোপ ভারতের

কোনওরকম রাখঢাক না করেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ জানিয়েছেন, 'রিপোর্টের মোড়কে জনশ্রুতি' পেশ করেছেন রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি। এই ধরনের খেয়ালখুশিমাফিক রিপোর্ট তৈরি করেই রাষ্ট্রসংঘ নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। যাচাই না করা তথ্যের ভিত্তিতে স্রেফ একটা রিপোর্ট বানিয়ে দিয়ে বিষয়টি ভারতের তরুণ প্রজন্মের উপরে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে দেশের সংবিধানের ১৯ নম্বর ধারায় প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষা নিশ্চিত করা আছে। দেশে আছে স্বাধীন বিচারবিভাগ, স্বাধীন সংবাদমাধ্যম এবং ক্ষমতাধর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
‘নিজের রিপোর্টেই নিজের উল্টো কথা বলেছেন রাষ্ট্রসংঘের দূত’
আর রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি যে দাবি করেছেন, তার ঠিক উল্টো কথা তিনি তাঁর নিজের রিপোর্টেই তুলে ধরেছেন বলে একেবারে চাঁচাছোলা ভাষায় জানিয়েছেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ। অর্থাৎ ওই রিপোর্ট যে কতটা ঠুনকো, তা একেবারে স্পষ্ট হয়ে যায়। নিটের (সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা) প্রশ্নফাঁসের প্রেক্ষিতে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের সময় প্রতিবাদীদের সঙ্গে সরকার পক্ষের বৈঠকের বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।
কোন দমনমূলক রাষ্ট্রে এমনটা হয়? তুলোধোনা ভারতীয় কূটনীতিবিদের
{{/usCountry}}কোন দমনমূলক রাষ্ট্রে এমনটা হয়? তুলোধোনা ভারতীয় কূটনীতিবিদের
{{/usCountry}}তাঁর কথায়, ‘হাস্যকরভাবে ওই রিপোর্টেই বলা হয়েছে যে ভারতের তরুণ প্রজন্ম একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে। এমন কোন দমনমূলক রাষ্ট্র আছে, যেখানে তরুণ প্রজন্মের দ্বারা গঠিত একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিতে পারে, দেশের রাজধানীর দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে এবং তারপর জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে পারে?’