India Medals Tally in Commonwealth Games: '৩ দিন খাইনি', কমনওয়েলথে রেকর্ড সোনা জিতে কেঁদে ফেললেন চানু, ভারতের পদক কত হল?
India Medals Tally in Commonwealth Games: কমনওয়েলখ গেমসে ঐতিহাসিক সোনা জিতলেন মীরাবাই চানু। আর সেই সোনা জয়ের পরে কেঁদে ফেললেন ভারতের তারকা ভারোত্তোলক। তাঁর আগে মণিপুরের অ্যাথলিট ভারতকে এনে দেন রুপো। চোট না থাকলে সোনা কার্যত নিশ্চিত ছিল।
India Medals Tally in Commonwealth Games: কমনওয়েলথ গেমসে রেকর্ড গড়ে সোনা জয়ের পরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মীরাবাই চানু। ২০১৪ সালে ২০ বছরের এক তরুণী প্রতিভা গ্লাসগো থেকে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন, সেই মেয়েই ১২ বছর পরে ওই শহর ছাড়লেন কমনওয়েলথ গেমসের টানা চতুর্থ পদক নিয়ে। তার মধ্যে তিনটিই সোনার পদক। আর সেই রেকর্ড সোনা জয়ের পরে নিজের প্রজন্মের ভারতের সেরা ভারোত্তোলক বলেন, ‘গত তিনদিন ধরে আমি খাইনি। আমার ওজন বজায় রাখার কাজটা অত্যন্ত কঠিন ছিল। আমি পরিবারকে এই সোনার পদককে উৎসর্গ করতে চাই।’

অবিসংবাদী ফেভারিট ছিলেন চানু, তবে জমিয়ে ওঠে লড়াই
এমনিতে গ্লাসগোতে ৪৮ কেজি বিভাগে যে ভারতীয় তারকা অবিসংবাদী ফেভারিট ছিলেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না। তাঁকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কার্যত কেউই ছিলেন না। কিন্তু স্ন্যাচ এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে নিজের প্রথম অ্যাটেম্পটে ভারোত্তলন করতে না পেরে কিছুটা জমিয়ে তুলেছিলেন প্রতিযোগিতা।
হাসতে-হাসতে সোনা জয় চানুর
কিন্তু তারপর ট্রেডমার্ক কায়দায় প্রত্যাবর্তন করেন ভারতের তারকা ভারোত্তলক। ১৯০ কেজি ভার (স্ন্যাচে ৮৫ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১০৫ কেজি) তুলে সোনা জিতে নেন। রুপোজয়ীর থেকে এতটাই এগিয়ে ছিলেন যে চূড়ান্ত ক্লিন অ্যান্ড জার্ক অ্যাটেম্পটেই যাননি। বিশেষত দু'মাস পরেই এশিয়ান গেমস থাকায় জিতে যাওয়া লড়াইয়ে আর কোনও বাড়তি ঝুঁকি নেননি চানু। যে সোনা জয়ের পরে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন ৩১ বছরের তারকা। মা এবং কোচকে ধন্যবাদ জানিয়েছে কেঁদে ফেলেন মণিপুরের মেয়ে।
মণিপুরের মেয়ে, মণিপুরের ছেলে- ভারতের গর্ব
আর চানুর আগে চোটের কারণে সোনা জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায় মণিপুরেরই ঋষিকান্ত সিং। স্ন্যাচে ১২১ কেজি ভারোত্তোলন করে পুরুষদের ৬০ কেজি বিভাগে কমনওয়েলথ গেমস রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেন। সেইসঙ্গে শীর্ষে থেকে ক্লিন অ্যান্ড জার্ক রাউন্ডে প্রবেশ করেন। কিন্তু শেষ দুটি অ্যাটেম্পটে সফল না হওয়ায় ওই রাউন্ড শেষ করেন ১৪৩ কেজিতে। সবমিলিয়ে ২৬৪ কেজি ভারোত্তোলন করে রুপো জেতেন ঋষিকান্ত।
পদক তালিকায় কোথায় আছে ভারত?
চানুর সোনা এবং ঋষিকান্তের রুপো জয়ের সুবাদে গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের পদক তালিকায় সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি সোনা, একটি রুপো এবং একটি ব্রোঞ্জ জিতেছে। ১২টি সোনা, পাঁচটি রুপো এবং সাতটি ব্রোঞ্জ নিয়ে শীর্ষে আছে অস্ট্রেলিয়া।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


